হাত কাটা ব্যক্তি কি ভাবে পবিত্রতা অর্জন করবে । Bangla Islam

হাত কাটা ব্যক্তি কি ভাবে পবিত্রতা অর্জন করবে । Bangla Islam
হাত কাটা ব্যক্তি কি ভাবে পবিত্রতা অর্জন করবে । Bangla Islam

হাত কাটা ব্যক্তি কি ভাবে অযু করবে।

কোন হাত কাটা ব্যক্তি যার উভয় হাত কনুই পযর্ন্ত কেটে গেছে এমতাবস্থায় সে যখন পেশাব পায়খানা করবে তখন সে কি ভাবে পবিত্রতা অর্জন করবে? তার জন্য এমন কোন সুযুগ আছে কি যে সে অন্য কাউকে বলবে তার পায়খানার রাস্তা তার হাত দ্বারা পরিস্কার করে দিতে। আর সময়টা এমন যে নামাযের সময় চলে যায় যায় অবস্থা। এমতাবস্থায় তার করনীয় কি এবং সে কি ভাবে অযু করবে? আজ আমরা উক্ত মাসআলাটি নিয়ে দলিল বিত্তিক আলোচনা করব। ইনশা-আল্লাহ।

যে ব্যক্তির উভয় হাত কনুই পর্যন্ত কেটে গেছে, সে প্রস্রাব এবং মলত্যাগ করার পর যদি সে ব্যক্তি পানি ব্যবহার করতে সক্ষম না হয় তাহলে সে তার নামাজ জায়েজ হওয়ার জন্য অন্যের মাধ্যমে নিজের মলত্যাগের স্থান ধৌত করতে শরীয়ত গত ভাবে বাধ্য নয়। এমতাবস্থায় পানি ব্যবহার ব্যতিত তার নামাজ জায়েজ হয়ে যাবে। আর এমন অক্ষম অবস্থায় অযুর স্থানগুলো কোন ভাবে দেওয়াল ইত্যাদি পবিত্র জিনিষ দ্বারা মাসেহ করে নিবে আর যদি তা সম্ভব না হয় তাহলে শুধুমাত্র চেহারা মাসেহ করে নিবে আর যদি তাও সম্ভব না হয় তাহলে ওই অবস্থায় নামাজ পড়ে নেবে।

বি: দ্র: হ্যা! তার যদি বিবাহিত স্ত্রী থাকে তাহলে সে তার লজ্জাস্থান পরিস্কার করে দিতে পারবে। আল্লাহ তাআলাই ভালো জানেন।

হাত কাটা ব্যক্তি যে ভাবে অযু করবে তার দলিল।

وَلَوْ قُطِعَتْ يَدُهُ أَوْ رِجْلُهُ فَلَمْ يَبْقَ مِنْ الْمِرْفَقِ وَالْكَعْبِ شَيْءٌ سَقَطَ الْغُسْلُ وَلَوْ بَقِيَ وَجَبَ. كَذَا فِي الْبَحْرِ الرَّائِقِ وَكَذَا غَسْلُ مَوْضِعِ الْقَطْعِ. هَكَذَا فِي الْمُحِيطِ.
——–
كتاب الفتاوى الهندية – الفصل الأول في فرائض الوضوء

…………………..

أَمَّا النِّيَّةُ فَفِي الْقُنْيَةِ وَغَيْرِهَا: مَنْ تَوَالَتْ عَلَيْهِ الْهُمُومُ تَكْفِيهِ النِّيَّةُ بِلِسَانِهِ. وَأَمَّا الطَّهَارَةُ، فَفِي الظَّهِيرِيَّةِ وَغَيْرِهَا مَنْ قُطِعَتْ يَدَاهُ وَرِجْلَاهُ وَبِوَجْهِهِ جِرَاحَةٌ يُصَلِّي بِلَا وُضُوءٍ وَلَا تَيَمُّمٍ وَلَا يُعِيدُ، قَالَ بَعْضُ الْأَفَاضِلِ فِي الْأَصَحِّ.
——–
 كتاب الدر المختار وحاشية ابن عابدين رد المحتار – كتاب الطهارة

………………………

بِقُدْرَةِ الْغَيْرِ فَرَاجِعْهُ. (قَوْلُهُ: سَقَطَ أَصْلًا) أَيْ: بِالْمَاءِ وَالْحَجَرِ. (قَوْلُهُ: كَمَرِيضٍ إلَخْ) فِي التَّتَارْخَانِيَّة: الرَّجُلُ الْمَرِيضُ إذَا لَمْ تَكُنْ لَهُ امْرَأَةٌ وَلَا أَمَةٌ وَلَهُ ابْنٌ أَوْ أَخٌ وَهُوَ لَا يَقْدِرُ عَلَى الْوُضُوءِ قَالَ يُوَضِّئُهُ ابْنُهُ أَوْ أَخُوهُ غَيْرَ الِاسْتِنْجَاءِ؛ فَإِنَّهُ لَا يَمَسُّ فَرْجَهُ وَيَسْقُطُ عَنْهُ وَالْمَرْأَةُ الْمَرِيضَةُ إذَا لَمْ يَكُنْ لَهَا زَوْجٌ وَهِيَ لَا تَقْدِرُ عَلَى الْوُضُوءِ وَلَهَا بِنْتٌ أَوْ أُخْتٌ تُوَضِّئُهَا وَيَسْقُطُ عَنْهَا الِاسْتِنْجَاءُ. اهـ. وَلَا يَخْفَى أَنَّ هَذَا التَّفْصِيلَ يَجْرِي فِيمَنْ شُلَّتْ يَدَاهُ؛ لِأَنَّهُ فِي حُكْمِ الْمَرِيضِ.
——–
كتاب الدر المختار وحاشية ابن عابدين رد المحتار – فصل الاستنجاء

Facebook Comments