মাগরিবের নামাযের সময়ের বিস্তারিত বর্ণনা।

মাগরিবের নামাযের
মাগরিবের নামাযের

মাগরিবের নামাযের সময়ের বিস্তারিত বর্ণনা।

মাগরিবের নামাযের সময় সূর্য ডুবে যাওয়ার সাথে সাথেই শুরু হয়? নাকি কিছু সময় বিলম্ব করে শুরু হয়? এবং সূর্য ডুবে যাওয়ার পর মাগরিবের নামাযের সময় কি পরিমাণ বাকি থাকে?

আর কেহ অলসতা করে মাগরিবের নামাজের সময় কে বাতিল করে দেয়। তাহলে তার নামায আদায় হবে না কাযা হবে?

আজ আমরা “মাগরিবের নামাযের সময়ের বিস্তারিত বর্ণনা।” এ বিষয়টি নিয়ে বাংলা ইসলাম (BanglaIslam .net) এর পক্ষ থেকে দলিল ভিত্তিক আলোচনা করার চেষ্টা করব। ইনশা-আল্লাহ।

আল্লাহ তায়ালার প্রশংসা ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দুরুদ পাঠ করে শুরু করছি…

সূর্য ডুবে যাওয়ার সাথে সাথেই মাগরিবের সময় শুরু হয়ে যায়। তবে আকাশে যদি মেঘ থাকে তা হলে সতর্কতামুলক কিছু সময় বিলম্ব করা যেতে পারে।

যাতে সূর্য ডুবে যাওয়ার ইয়াকিন হয়। সূর্য ডুবে যাওয়ার পর কিছু সময় পশ্চিম আকাশে লালিমা দেখা যায়। তারপর আকাশে কিছু সময় সুব্রতা প্রকাশ পায়।

আর মাগরিবের নামাজের ওয়াক্ত শেষ হয় সুব্রতা শেষ হওয়ার দ্বারাই। তবে সতর্ক তা হল এই যে, লালিমা শেষ হওয়ার পূর্বেই মাগরিবের নামাজ থেকে ফারেগ হওয়া।

কেননা দেরি করার দ্বারা নামাজ মাকরুহ হয়ে যায় এবং কাজা হয়ে যাওয়ার সম্ভবনা তৈরী হয়।  আর অলসতা করে নামাজকে সময়মতো আদায় না করে কাযা করা কবিরা গুনাহ। যার উপর শক্ত ধ্বমকী রয়েছে।

সঠিকটা আল্লাহ তাআলাই ভালো জানেন।

মাগরিবের নামাযের সময়ের বর্ণনার দলিল সমূহ।

وَفِي يَوْمِ الْغَيْمِ الْمُسْتَحَبُّ تَأْخِيرُ الْفَجْرِ وَالظُّهْرِ وَالْمَغْرِبِ وَتَعْجِيلُ الْعَصْرِ وَالْعِشَاءِ

وَرَوَى الْحَسَنُ عَنْ أَبِي حَنِيفَةَ رَحِمَهُمَا اللَّهُ تَعَالَى التَّأْخِيرُ فِي جَمِيعِ الصَّلَوَاتِ فِي يَوْمِ الْغَيْمِ أَفْضَلُ

وَوَجْهُهُ أَنَّهُ أَقْرَبُ إلَى الِاحْتِيَاطِ فَأَدَاءُ الصَّلَاةِ فِي وَقْتِهَا أَوْ بَعْدَ ذَهَابِهِ يَجُوزُ وَلَا يَجُوزُ أَدَاؤُهَا قَبْلَ دُخُولِ الْوَقْتِ.

وَوَجْهُ ظَاهِرِ الرِّوَايَةِ أَنَّ فِي الْفَجْرِ الْمُسْتَحَبَّ التَّأْخِيرُ

لِأَنَّهُ لَوْ عَجَّلَ بِهَا لَمْ يَأْمَنْ أَنْ يَقَعَ قَبْلَ طُلُوعِ الْفَجْرِ الثَّانِي وَلِأَنَّ النَّاسَ يَلْحَقُهُمْ الْحَرَجُ فِي التَّعْجِيلِ عِنْدَ الظُّلْمَةِ بِسَبَبِ الْغَيْمِ

فَيُؤَخَّرُ لِيَكُونَ فِيهِ تَكْثِيرُ الْجَمَاعَةِ وَكَذَلِكَ فِي الظُّهْرِ يُؤَخَّرُ لِكَيْ لَا يَقَعَ قَبْلَ الزَّوَالِ

وَيُعَجَّلُ الْعَصْرُ لِكَيْ لَا يَقَعَ فِي حَالِ تَغْيِيرِ الشَّمْسِ وَيُؤَخَّرَ الْمَغْرِبُ لِكَيْ لَا يَقَعَ قَبْلَ غُرُوبِ الشَّمْسِ
——–
ص148 – كتاب المبسوط للسرخسي – باب مواقيت الصلاة

….

وَوَقْتُ الْمَغْرِبِ مِنْهُ إلَى غَيْبُوبَةِ الشَّفَقِ وَهُوَ الْحُمْرَةُ عِنْدَهُمَا وَبِهِ يُفْتَى

هَكَذَا فِي شَرْحِ الْوِقَايَةِ وَعِنْدَ أَبِي حَنِيفَةَ الشَّفَقُ هُوَ الْبَيَاضُ الَّذِي يَلِي الْحُمْرَةَ

هَكَذَا فِي الْقُدُورِيِّ وَقَوْلُهُمَا أَوْسَعُ لِلنَّاسِ وَقَوْلُ أَبِي حَنِيفَةَ – رَحِمَهُ اللَّهُ – أَحْوَطُ

لِأَنَّ الْأَصْلَ فِي بَابِ الصَّلَاةِ أَنْ لَا يَثْبُتَ فِيهَا رُكْنٌ وَلَا شَرْطٌ إلَّا بِمَا فِيهِ يَقِينٌ

كَذَا فِي النِّهَايَةِ نَاقِلًا عَنْ الْأَسْرَارِ وَمَبْسُوطِ شَيْخِ الْإِسْلَامِ.
——–
ص51 – كتاب الفتاوى الهندية – الباب الأول في مواقيت الصلاة وما يتصل بها وفيه ثلاثة فصول

قَوْلُهُ: وَالْمَغْرِبُ مِنْهُ إلَى غُرُوبِ الشَّفَقِ أَيْ وَقْتُ الْمَغْرِبِ مِنْ غُرُوبِ الشَّمْسِ إلَى غُرُوبِ الشَّفَقِ لِرِوَايَةِ مُسْلِمٍ

وَقْتُ صَلَاةِ الْمَغْرِبِ مَا لَمْ يَسْقُطْ نُورُ الشَّفَقِ» وَضَبَطَهُ الشُّمُنِّيُّ بِالثَّاءِ الْمُثَلَّثَةِ الْمَفْتُوحَةِ وَهُوَ ثَوَرَان حُمْرَتِهِ

قَوْلُهُ: وَهُوَ الْبَيَاضُ  أَيْ الشَّفَقُ هُوَ الْبَيَاضُ عِنْدَ الْإِمَامِ وَهُوَ مَذْهَبُ أَبِي بَكْرٍ الصِّدِّيقِ وَعُمَرَ وَمُعَاذٍ وَعَائِشَةَ – رَضِيَ اللَّهُ عَنْهُمْ

وَعِنْدَهُمَا وَهُوَ رِوَايَةٌ عَنْهُ هُوَ الْحُمْرَةُ وَهُوَ قَوْلُ ابْنِ عَبَّاسٍ وَابْنِ عُمَرَ

وَصَرَّحَ فِي الْمَجْمَعِ بِأَنَّ عَلَيْهَا الْفَتْوَى وَرَدَّهُ الْمُحَقِّقُ فِي فَتْحِ الْقَدِيرِ بِأَنَّهُ لَا يُسَاعِدُهُ رِوَايَةٌ وَلَا دِرَايَةٌ

أَمَّا الْأَوَّلُ فَلِأَنَّهُ خِلَافُ الرِّوَايَةِ الظَّاهِرَةِ عَنْهُ، وَأَمَّا الثَّانِي فَلِمَا فِي حَدِيثِ ابْنِ فُضَيْلٍ

وَإِنْ أَخَّرَ وَقْتَهَا حِينَ يَغِيبُ الْأُفُقُ» وَغَيْبُوبَتُهُ بِسُقُوطِ الْبَيَاضِ الَّذِي يَعْقُبُ الْحُمْرَةَ

وَإِلَّا كَانَ بَادِيًا وَيَجِيءُ مَا تَقَدَّمَ يَعْنِي إذَا تَعَارَضَتْ الْأَخْبَارُ لَمْ يُنْقَضْ الْوَقْتُ بِالشَّكِّ

وَرَجَّحَهُ أَيْضًا تِلْمِيذُهُ قَاسِمٌ فِي تَصْحِيحِ الْقُدُورِيِّ وَقَالَ فِي آخِرِهِ فَثَبَتَ أَنَّ قَوْلَ الْإِمَامِ هُوَ الْأَصَحُّ. اهـ.
——–
ص258 – كتاب البحر الرائق شرح كنز الدقائق ومنحة الخالق وتكملة الطوري – وقت صلاة العصر

Facebook Comments

1 Trackback / Pingback

  1. রাত বারোটার পর এশা পড়লে তা আদা হবে না কাযা।

Comments are closed.