পীরের কাছে সন্তান চাওয়া যাবে | ইসলাম কি বলে | Bangla Islam

পীরের কাছে সন্তান চাওয়া
পীরের কাছে সন্তান চাওয়া যাবে ইসলাম কি বলে Bangla Islam

মাজারের পীরের কাছে সন্তান চাওয়া যাবে ?

সন্তান আল্লাহর দেওয়া নেয়ামত গুলোর মধ্য থেকে অন্যতম নেয়াম। কিন্তু মানুষ আজ আল্লাহর কাছে সন্তান না চেয়ে পীরের কাছে সন্তান চাওয়া ও পাওয়ার জন্য দৌড়ায়।

সন্তান দেওয়া ও না দেওয়া এবং পুত্র সন্তান বা কন্যা সন্তান হওয়া সব কিছু আল্লাহ হুকুমে হয়ে থাকে এখানে কোন পীর ওলীদের হাত নাই।

হযরত ইব্রাহিম (আঃ) বৃদ্ধ বয়সে আল্লাহ তাআলার নিকট দোয়া করলেন সৎ পুত্র সন্তানের জন্য। আল্লাহ তাআলা তার দোয়া কবুল করলেন।

তাঁকে নেক পুত্র সন্তান দান করলেন। যার বিস্তারিত বর্ণনা এসেছে সুরা সফফাতে।

رَبِّ هَبْ لِي مِنَ الصَّالِحِينَ

হে আমার পরওয়ারদেগার! আমাকে এক সৎপুত্র দান কর। সুরা সাফফাত আয়াত : ১০০

সন্তান-সন্তুতি দানের ক্ষমতা একমাত্র আল্লাহ তা’আলার। আল্লাহ যাকে সন্তান দান করেন, কোন রোগ, কোন দুর্বলতা বা কোন সমস্যাই তার জন্য বাঁধা হয়ে দাড়ায় না ।

আর আল্লাহ যাকে সন্তান দান করেন না, অতি তুচ্ছ কারণেই সে সন্তান লাভ করতে ব্যর্থ হয় । আল্লাহ তাআলা বলেন

 يَهَبُ لِمَن يَشَآءُ إِنَٰثٗا وَيَهَبُ لِمَن يَشَآءُ ٱلذُّكُورَ أَوۡ يُزَوِّجُهُمۡ ذُكۡرَانٗا وَإِنَٰثٗاۖ

وَيَجۡعَلُ مَن يَشَآءُ عَقِيمًاۚ

আল্লাহ যাকে ইচ্ছা কন্যা সন্তান দান করেন, যাকে ইচ্ছা পুত্র সন্তান দান করেন অথবা ছেলে-মেয়ে উভয়ই দান করেন।

আবার যাকে ইচ্ছে বন্ধ্যা করেন। সূরা আশ্শূরা আয়াত :  ৫০

তার কাছে চাওয়ার কোন বিকল্প নেই

সুতরাং আল্লাহর কাছে চাওয়ার কোন বিকল্প নেই । আপনি নিবিষ্ট মনে আপনার মত করে নিজের ভাষায় তাঁরই কাছে নেক সুস্থ ও সুন্দর সন্তান কামনা করে দোয়া করতে থাকুন।

তিনি আপনার ডাকে সাড়া দিলে অবশ্যই আপনি সন্তান লাভ করবেন।

হযরত জাকারিয়া আ. বৃদ্ধ বয়সেও নিঃসন্তান ছিলেন। যখন তিনি লক্ষ্য করলেন, আল্লাহ তাআলা পুরুষের সংস্পর্স ছাড়াই হযরত মারইয়াম আ. কে সন্তান দান করেছেন।

তখন তাঁর মনে সন্তানের জন্য সুপ্ত আকাঙ্ক্ষা জেগে উঠল। তিনি ভাবলেন: যে আল্লাহ কোন উপকরণ বিহীন সন্তান দিতে পারেন, সে আল্লাহ বৃদ্ধদম্পতিকেও সন্তান দান করতে পারেন।

তাই তিনি আল্লাহর দরবারে দোয়া করলেন:

رَبِّ هَبْ لِي مِن لَّدُنْكَ ذُرِّيَّةً طَيِّبَةً إِنَّكَ سَمِيعُ الدُّعَاء

হে, আমার পালনকর্তা! আপনার নিকট থেকে আমাকে পুত-পবিত্র সন্তান দান করুন। নিশ্চয়ই আপনি প্রার্থনা শ্রবণকারী। সূরা আল-ইমরান আয়াত : ৩৮

বর্তমানকার পীরের কাছে সন্তান চাওয়া কেমন

পীর একটি ফার্সি শব্দ। আরবিতে বলা হয় মুরশিদ। মুরশিদ শব্দের অর্থ হলো- পথপ্রদর্শক। যিনি আল্লাহর আদেশ-নিষেধ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেন, মানুষকে জানান ও সতর্ক করেন।

মুরিদ শব্দটি আরবি। অর্থ হলো- ইচ্ছাপোষণকারী। যে ব্যক্তি আল্লাহর আদেশ নিষেধ আল্লাহতায়ালা যেভাবে চান,

সেভাবে পালন করার ইচ্ছাপোষণ করে কোনো বুজুর্গ ও আল্লাহওয়ালা ব্যক্তির হাত ধরে শপথ করেন তিনি মুরিদ।

এ ব্যাখ্যা থেকে এটা স্পষ্ট যে, পীর হবেন শরিয়তের আদেশ-নিষেধ পালন করার প্রশিক্ষণদাতা। আর প্রশিক্ষণ নিতে আসা শিক্ষার্থী হলেন মুরিদ।

পীর-মুরিদির এ পদ্ধতি হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের সময় থেকে চলে আসছে।

হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম স্বীয় সাহাবায়ে কেরামদেরকে আল্লাহমুখী হওয়ার প্রশিক্ষণ দিতেন।

আর সাহাবারা হজরত রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর কাছ থেকে প্রশিক্ষণ নিতেন। যাতে করে তারা সহজে দ্বীনের উপর আমল করে জান্নাত বাসী হতে পরে। কিন্তু বর্তমান…..?

وَعَنِ الْمُسْتَوْرِدِ عَنِ النَّبِىِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ قَالَ:

مَنْ أَكَلَ بِرَجُلٍ مُسْلِمٍ أُكْلَةً فَإِنَّ اللهَ يُطعِمُه مِثْلَهَا مِنْ جَهَنَّمَ

وَمَنْ كَسٰو ثَوْبًا بِرَجُلٍ مُسْلِمٍ فَإِنَّ اللهَ يَكْسُوهُ مِثْلَه مِنْ جَهَنَّمَ

وَمَنْ قَامَ بِرَجُلٍ مَقَامَ سُمْعَةٍ وَرِيَاءٍ

فَإِنَّ اللهَ يَقُومُ لَه مَقَامَ سُمْعَةٍ وَرِيَاءٍ يَوْمَ الْقِيَامَةِ

মুসতাওরিদ (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম হতে বর্ণনা করেন। রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ

যে ব্যক্তি কোন মুসলিমের পরোক্ষ নিন্দা করে বা মন্দ বলে এক গ্লাস খেলো, আল্লাহ তা‘আলা তাকে সে পরিমাণ জাহান্নামের আগুন খাওয়াবেন।

যে ব্যক্তি কোন মুসলিমের অপদস্থ ও অপমানের বিনিময়ে কাপড় পরিধান করল, আল্লাহ তা‘আলা সেটার বিনিময়ে তাকে সমপরিমাণ জাহান্নামের আগুনের পোশাক পরিধান করাবেন।

আর যে ব্যক্তি কাউকে দাঁড় করায় বা নিজে দণ্ডায়মান হয়ে লোকেদেরকে নিজের বুজুর্গি শোনায় বা নিজের শ্রেষ্ঠত্ব দেখায়,

কিয়ামতের দিন স্বয়ং আল্লাহ তা‘আলা তার ত্রুটি-বিচ্যুতি ও দুর্বলতা শোনানোর জন্য এবং দেখানোর জন্য তাকে দাঁড় করাবেন।

খাঁটি পীর চেনার আলামত কি

বর্তমান জামানায় ফেতনার ছড়াছড়ি চলছে। তাই হযরত হাকিমুল উম্মত রাহবারে মিল্লাত আশরাফ আলী থানভি (রহ.) খাঁটি পীর চেনার কয়েকটি আলামত উল্লেখ করেছেন।

সেগুলো হলো:সুন্নতি লেবাস, কোরআন-হাদিসের পর্যাপ্ত জ্ঞান, আমলকারী, এখলাস থাকা, দুনিয়াবিমুখতা, উত্তম আখলাকধারী হওয়া, নামাজে মনোযোগী, চোখের হেফাজত, পর্দা করা ও কোরআন তেলাওয়াত করা।

সুতরাং যে ব্যক্তি নিজেই শরিয়তের বিধান মানে না, নামাজ পড়ে না, পর্দা করে না, সতর ঢেকে রাখে না বা শরিয়তের আবশ্যকীয় কোনো বিধান পালন করে না।

সে ব্যক্তি কিছুতেই পীর তথা মুরশিদ হতে পারে না।

কারণ তার নিজের মাঝেই যখন শরিয়ত নেই, সে কিভাবে অন্যকে শরিয়তের ওপর আমল করার প্রশিক্ষণ দিবে?

বিশিষ্ট উলামায়ে কেরামরা বলেছেন, সুন্নত ও শরিয়তের অনুসারী হক্কানি পীর হেদায়েতের পথ প্রদর্শক। হেদায়েতদাতা নয়। তাহলে সে কি ভাবে সন্তান দিবে?

এমনকি কোনো নবীওত সন্তান দেওয়ার মালিক ছিলেন না। সন্তান দেওয়ার মালিক একমাত্র আল্লাহতায়ালা। কল্যাণ-অকল্যাণের মালিকও একমাত্র আল্লাহতায়ালা।

রিজিকদাতা, ব্যবসা-বাণিজ্যে উন্নতিদানকারী এবং মনোবাঞ্ছা পূরণকারী একমাত্র আল্লাহ। কোনো পীর, তিনি জীবিত হোন বা মৃত এসব কাজের ক্ষমতা রাখেন না।

অতএব, আল্লাহতায়ালা ব্যতীত কারও কাছে সন্তান চাওয়া, কাউকে লাভ-ক্ষতির মালিক মনে করা, আয়-উপার্জনে উন্নতিদানকারী মনে করা সম্পূর্ণ শিরক ও ঈমান পরিপন্থী আকিদা।

কেউ যদি কখনও এমন কাজ করে থাকে তাহলে তাকে খাঁটি অন্তরে তওবা করে নতুনভাবে ঈমান আনয়ন করতে হবে

এবং এগুলো যে একমাত্র আল্লাহতায়ালারই ক্ষমতা এ ব্যাপারে মনেপ্রাণে বিশ্বাস করতে হবে।

তোমরা কবরসমূহকে মসজিদে পরিণত করো না

আমাদের দেশে কোনো কোনো পীরের সামনে সিজদা করতে দেখা যায়। এটাও গোনাহের কাজ। সিজদা একমাত্র আল্লাহতায়ালার হক। হাদিসে বর্ণিত রয়েছে:

وَعَنْ جُنْدُبٍ قَالَ سَمِعْتُ النَّبِيَّ ﷺ يَقُولُ

أَلَا وَإِنَّ مَنْ كَانَ قَبْلَكُمْ كَانُوا يَتَّخِذُونَ قُبُورَ أَنْبِيَائِهِمْ وَصَالِحِيهِمْ مَسَاجِدَ

أَلَا فَلَا تَتَّخِذُوا الْقُبُورَ مَسَاجِدَ إِنِّي أَنْهَاكُمْ عَنْ ذلِكَ

জুনদুব (রাঃ)হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, আমি নাবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছি,

সাবধান! তোমাদের আগে যারা ছিল তারা তাদের নাবী ও বুজুর্গ লোকেদের কবরকে মসজিদে পরিণত করেছে।

সাবধান! তোমরা কবরসমূহকে মসজিদে পরিণত করো না। আমি তোমাদেরকে এ কাজ হতে নিশ্চিতভাবে নিষেধ করছি।

কোনো মানুষকে বা কারও মাজারকে কিংবা পীরের কাছে সন্তান চাওয়া ও পাওয়ার জন্য সিজদা করা সম্পূর্ণ হারাম। যদি ইবাদত-উপাসনার নিয়তে সিজদা করে তাহলে কাফের হয়ে যাবে।

যদি আদব ও সম্মান প্রদর্শনের জন্য করে থাকে তাহলে শুধু এ কারণে সরাসরি কাফের না হলেও সে কুফুরির নিকটবর্তী হয়ে যায়।

তবে অধিকাংশ ক্ষেত্রে এই কর্মের সঙ্গে এমন কিছু আকিদা-বিশ্বাস থাকে, যা তাকে ঈমান থেকে খারিজ করে দেয়। তাই এসব কাজ থেকে বিরত থাকতে হবে, আগে করে থাকলে একনিষ্ঠভাবে তওবা-ইস্তিগফার করতে হবে।

তবে যদি জীবিত কোনো হক্কানী পীর-বুজুর্গ কিংবা আল্লাহর প্রিয় বান্দার নিকট এ মর্মে দোয়া চাওয়া হয় যে, আপনি আল্লাহর কাছে দোয়া করেন,

যেন আল্লাহতায়ালা আমাকে বিপদ-আপদ থেকে উদ্ধার করে দেন এবং এক্ষেত্রে দোয়া প্রার্থীর এ বিশ্বাস থাকে যে,

তিনি আল্লাহর প্রিয় ও নৈকট্যভাজন বান্দা হিসেবে আশা করা যায়, আল্লাহতায়ালা তার দোয়া কবুল করবেন।

আর নিজে নিজে আল্লাহর কাছে ঐ সমস্ত দোয়া করতে পারেন যা কোরআনে ও হাদিসে বর্ণিত রয়েছে। আশা করা যায় আল্লাহ আপনাকে সন্তান দিয়ে সুখী করবেন।

আমাদের জন্যে চোখের শীতলতা দান কর

সুরায়ে ফুরকানে আল্লাহ তায়ালা ইরশাদ করেন:

وَالَّذِينَ يَقُولُونَ رَبَّنَا هَبْ لَنَا مِنْ أَزْوَاجِنَا وَذُرِّيَّاتِنَا قُرَّةَ أَعْيُنٍ

وَاجْعَلْنَا لِلْمُتَّقِينَ إِمَامًا

এবং যারা বলে, হে আমাদের পালনকর্তা, আমাদের স্ত্রীদের পক্ষ থেকে এবং আমাদের সন্তানের পক্ষ থেকে আমাদের জন্যে চোখের শীতলতা দান কর

এবং আমাদেরকে মুত্তাকীদের জন্যে আদর্শস্বরূপ কর। সুরা ফুরকান আয়াত :৭৪

সূরা আম্বিয়ার এ আয়াত বেশি করে পড়ুন; ইনশা-আল্লাহ আপনাকে সন্তান দিয়ে আনন্দিত করবেন: এবং যাকারিয়ার কথা স্মরণ করুন, যখন সে তার পালনকর্তাকে আহবান করেছিল:

رَبِّ لَا تَذَرْنِي فَرْدًا وَأَنتَ خَيْرُ الْوَارِثِينَ

হে আমার পালনকর্তা আমাকে একা রেখো না। তুমি তো উত্তম ওয়ারিস। সুরা আম্বিয়া আয়াত :৮৯

ইস্তেফারের আমল করলে কি হয় ?

হযরত হাসান বসরি রহ. থেকে বর্ণিত: কোন এক ব্যক্তি তাঁকে বলল, আমি নিঃসন্তান, আমাকে এমন কোন আমল বলে দিন,যাতে আমার সন্তান হয়। তখন তিনি লোকটিকে বললেন:

তুমি ইস্তেগফারকে আবশ্যক করে নাও। ফলে লোকটি নিয়মিত ইস্তেফারের আমল করতে লাগল। এ আমলের বরকতে আল্লাহ তাকে একে একে দশ সন্তান দান করেছিলেন।

তারপর লোকটি একদিন হাসান বসরি রহ.কে এই আমলের রহস্য সম্পর্কে জিজ্ঞেস করলে উত্তরে তিনি বলেন, তুমি কি হুদ আ.-এর ঘটনায় আল্লাহর বাণী দেখনি?

وَيَا قَوْمِ اسْتَغْفِرُواْ رَبَّكُمْ ثُمَّ تُوبُواْ إِلَيْهِ

يُرْسِلِ السَّمَاء عَلَيْكُم مِّدْرَارًا وَيَزِدْكُمْ قُوَّةً إِلَى قُوَّتِكُمْ

وَلاَ تَتَوَلَّوْاْ مُجْرِمِينَ

আর হে আমার কওম! তোমাদের পালন কর্তার কাছে তোমরা ক্ষমা প্রার্থনা কর, অতঃপর তাঁরই প্রতি মনোনিবেশ কর:

তিনি আসমান থেকে তোমাদের উপর বৃষ্টি ধারা প্রেরণ করবেন এবং তোমাদের শক্তির উপর শক্তি বৃদ্ধি করবেন,

তোমরা কিন্তু অপরাধীদের মত বিমুখ হয়ো না। সুরা হুদ আয়াত :৫২

এবং নূহ আ.-এর ঘটনায় আল্লাহর বাণী ? সেখানে তিনি বলেছেন:

وَيُمْدِدْكُمْ بِأَمْوَالٍ وَبَنِينَ وَيَجْعَل لَّكُمْ جَنَّاتٍ وَيَجْعَل لَّكُمْ أَنْهَارًا

তোমাদের ধন-সম্পদ ও সন্তান-সন্ত তি বাড়িয়ে দিবেন, তোমাদের জন্যে উদ্যান স্থাপন করবেন এবং তোমাদের জন্যে নদীনালা প্রবাহিত করবেন। সুরা নূহ আয়াত :১২

তার কাছে যা চাইবেন তাই পাইবেন

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

:حَدَّثَنَا يَزِيدُ بْنُ خَالِدٍ الرَّمْلِيُّ…عَنْ أَبِي أُمَامَةَ بْنِ سَهْلِ بْنِ حُنَيْفٍ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ : قَالَ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم:

‏ مَنْ سَأَلَ اللهَ الشَّهَادَةَ صَادِقًا بَلَّغَهُ اللهُ مَنَازِلَ الشُّهَدَاءِ وَإِنْ مَاتَ عَلَى فِرَاشِهِ‏ ‏.‏

আবূ উমামাহ ইবনু সাহল ইবনু হুনাইফ (রাঃ) হতে তার পিতার সুত্রে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেন:

যে ব্যক্তি খাঁটি অন্তরে আল্লাহর নিকট শাহাদাত চায়, আল্লাহ তাকে শহীদদের মর্যাদা দিবেন, যদিও সে নিজ বিছানায় মৃত্যুবরণ করে।

সুতারং আমরাও যদি আল্লাহ তায়ালার কাছে সন্তান চাই তাহলে অবশ্যয় আল্লাহ আমাদেরকে সন্তান দিবেন।

অনেকে উলামায়ে কেরাম বলেছেন: যে ব্যক্তি স্ত্রী সহবাসের পূর্বে আল্লাহ তাআলার পবিত্র গুণবাচক নাম (اَلْمُتَكَبِّرُ) ‘আল-মুতাকাব্বিরু’- ১০ বার পাঠ করবে; আল্লাহ তাআলা তাকে সৎ সন্তান দান করবেন।

পরিশেষে আল্লাহ তায়ালার কাছে  আপনাদের সকলের জন্য দোয়া আল্লাহ যেন প্রত্যেককে সু-সন্তান দান করে সংসার জীবন সুখী করে। এবং সকল ধরণের শিরিক ও তথা কথিত পীরের কাছে সন্তান চাওয়া এর মত গোনাহ থেকে বেচে থাকার তাওফিক দান করে। আমীন।

Facebook Comments