নামাজ না পড়ার শাস্তি সম্পর্কে ইসলাম কি বলে ?

নামাজ না পড়ার শাস্তি
নামাজ না পড়ার শাস্তি

নামাজ না পড়ার শাস্তি সম্পর্কে ইসলাম কি বলে ?

দৈনিক জামাতের সাথে পাঁচ ওয়াক্ত নামাজ পড়া প্রত্যেক পুরুষ, মহিলা, মুসলমান, আকেল, বালেগের উপর ফরয। এখন যে সমস্ত ব্যক্তিরা নামাজ না পড়ার শাস্তি সম্পর্কে

জেনে শুনে নামাজ না পড়ে তাদের জন্যই ইসলামে কি শাস্তি বা বিধান রয়েছে।

আজ আমরা নামাজ না পড়ার শাস্তি সম্পর্কে ইসলাম কি বলে এ বিষয়টি নিয়ে বাংলা ইসলাম (BanglaIslam .net) এর পক্ষ থেকে দলিল ভিত্তিক আলোচনা করার চেষ্টা করব। ইনশা-আল্লাহ।

আল্লাহ তায়ালার প্রশংসা ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দুরুদ পাঠ করে শুরু করছি।

প্রত্যেক আকেল, বালেগ, মুসলমান চাই সে পুরুষ হোক বা মহিলা তার জন্য নামায পড়া ফরজ। আর কোন কারন ছাড়া নামাজ ছেড়ে দেওয়া জঘন্যতম অপরাধ।

কেননা তার শাস্তি দুনিয়া ও আখেরাতে কঠিন। কিন্তু এ শাস্তি দেওয়ার অধিকার সকলেরই নাই। বরং প্রথমে তাকে অত্যন্ত নরম, ভদ্রতা ও মহব্বতের সাথে

নামাজের গুরুত্ব বুঝবে এবং কোরান হাদিস থেকে নামাজের ফজিলত গুলো শোনাবে।

যদি সে বুঝে যায় তাহলে আলহামদুলিল্লাহ ভালো। অন্যথায় পাঞ্চায়েত কায়েম করে নামাজের গুরুত্ব বুঝিয়ে দিবে।

সঠিকটা আল্লাহ তাআলাই ভালো জানেন।

নামাজ না পড়ার শাস্তি সম্পর্কে ইসলাম কি বলে তার হুকুমের দলিল সমূহ।

عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم

الْعَهْدُ الَّذِي بَيْنَنَا وَبَيْنَهُمُ الصَّلاَةُ فَمَنْ تَرَكَهَا فَقَدْ كَفَرَ

বুরাইদাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ

আমাদের ও তাদের (কাফিরদের) মধ্যে (মুক্তির) যে প্রতিশ্রুতি আছে তা হল নামায। সুতরাং যে ব্যক্তি নামায ছেড়ে দেয়, সে কুফুরী কাজ করে। সুনানে আত তিরমিযী : ২৬২১

وَعَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ عَمْرِو بْنِ الْعَاصِ عَنْ النَّبِيِّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

أَنَّهُ ذَكَرَ الصَّلَاةَ يَوْمًا فَقَالَ: «مَنْ حَافَظَ عَلَيْهَا كَانَتْ لَهُ نُورًا وَبُرْهَانًا وَنَجَاةً يَوْمَ الْقِيَامَةِ

وَمن لم يحافظ عَلَيْهَا لم يكن لَهُ نور وَلَا برهَان وَلَا نجاة

وَكَانَ يَوْمَ الْقِيَامَةِ مَعَ قَارُونَ وَفِرْعَوْنَ وَهَامَانَ وَأُبَيِّ بْنِ خَلَفٍ

‘আবদুল্লাহ ইবনু ‘আমর ইবনুল ‘আস (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম

একদিন সালাত (সালাত/নামায/নামাজ) সম্পর্কে আলোচনা প্রসঙ্গে বললেনঃ

যে ব্যক্তি সালাতের হিফাযাত করবে, তা কিয়ামতের (কিয়ামতের) দিন তার জন্য জ্যোতি, দলীল ও মুক্তির উপায় হবে।

আর যে ব্যক্তি সালাতের হিফাযাত করবে না,

তার জন্য এটা জ্যোতি, দলীল ও মুক্তির কারণ হবে না। কিয়ামতের (কিয়ামতের) দিন সে ক্বারূন, ফির্‘আওন, হামান ও উবাই বিন খালাফ-এর সাথে থাকবে।

لَا يَحُدُّهُ سَيِّدُهُ بِغَيْرِ إذْنِ الْإِمَامِ وَلَوْ فَعَلَهُ هَلْ يَكْفِي؟ الظَّاهِرُ لَا، لِقَوْلِهِمْ رُكْنُهُ إقَامَةُ الْإِمَامِ نَهْرٌ

——–
ص13 – كتاب الدر المختار وحاشية ابن عابدين رد المحتار – كتاب الحدود

Facebook Comments

1 Trackback / Pingback

  1. হুশ-জ্ঞানহীন ব্যক্তির উপর নামাজ পড়া কি ? - বাংলা ইসলাম

Comments are closed.