দোয়ার সময় আসমানে তাকানো কেমন

দোয়ার সময় আসমানে তাকানো
দোয়ার সময় আসমানে তাকানো

দোয়ার সময় আসমানে তাকানো কেমন?

হাদীসে এসেছে দোয়া হল ইবাদতের সারাংশ। আর এই দোয়ার সময় আসমানে তাকানো এবং অযুর পর হাত উঠিয়ে আসমানের দিকে তাকিয়ে দোয়া পড়া কেমন?

অনেককে আবার দেখা যায় আঙ্গুল দিয়ে ইশারা করতে। এখন জানার বিষয় হল দোয়ার সময় আসমানের দিকে তাকানো জায়েজ কি না?

জায়েজ থাকলে কখন সাথে আঙ্গুল দিয়ে ইশারা করতে হবে কি?

আজ আমরা দোয়ার সময় আসমানে তাকানো এ মাসআলাটি নিয়ে দলিল ভিত্তিক আলোচনা করার চেষ্টা করব। ইনশা-আল্লাহ।

হাশিয়াতুত ত্বহাবী নামক কিতাবের সিফাতুল আযকার অধ্যায়ে উল্লেখ আছে যে, দোয়ার সময় আসমানের দিকে তাকানো মাকরুহ। তাই সাধারণ দোয়ার সময় আসমানের দিকে তাকাবে না।

হ্যা!  অযুর পর কালিমায়ে শাহাদাত পড়ার সময় আসমানের দিকে তাকানো যেতে পারে। কেননা হাদীসে এমনটাই এসেছে যে,

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম উত্তমরূপে অযু করে আসমানের দিকে দৃষ্টি দিয়েছেন।

সঠিকটা আল্লাহ তাআলাই ভালো জানেন।

দোয়ার সময় আসমানে তাকানো তার দলিল সমূহ।

ويكره أن يرفع بصره إلى السماء لما فيه من ترك الأدب وتوهم الجهة

وقد نهى النبي صلى الله عليه وسلم عن ذلك كما في شرح الحصن الحصين
——–
ص316 – كتاب حاشية الطحطاوي على مراقي الفلاح شرح نور الإيضاح – فصل في صفة الأذكار

……………………

والإتيان بالشهادتين بعده” قائما مستقبلا لقوله صلى الله عليه وسلم

ما منكم من أحد يتوضأ فيسبغ الوضوء ثم يقول

أشهد أن لا إله إلا الله وأن محمدا عبده ورسوله وفي رواية أشهد أن لا إله إلا الله وحده لا شريك له وأشهد أن محمدا عبده ورسوله

إلا فتحت له أبواب الجنة الثمانية يدخلها من أي باب شاء

وقال رسول الله صلى الله عليه وسلم من قال إذا توضأ

سبحانك اللهم وبحمدك أشهد أن لا إله إلا أنت أستغفرك وأتوب إليك

طبع بطابع ثم جعل تحت العرش حتى يؤتى بصاحبها يوم القيامة
——–
ص77 – كتاب حاشية الطحطاوي على مراقي الفلاح شرح نور الإيضاح – فصل من آداب الوضوءأربعة عشر شيئا

………..

قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ مَنْ تَوَضَّأَ فَأَحْسَنَ الْوُضُوءَ ثُمَّ رَفَعَ بَصَرَهُ إِلَى السَّمَاءِ

أَوْ قَالَ نَظَرَهُ إِلَى السَّمَاءِ

فَقَالَ أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ

فُتِحَتْ لَهُ ثَمَانِيَةُ أَبْوَابِ الْجَنَّةِ يَدْخُلُ مِنْ أَيِّهِنَّ شَاءَ

রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম বলেছেন: “যে ব্যক্তি উত্তমরূপে ওযু করে আকাশের দিকে চোখ তুলে তাকিয়ে,

অথবা তিনি বলেছেন: আকাশের দিকে দৃষ্টি দিয়ে বলবে:

أَشْهَدُ أَنْ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ وَحْدَهُ لَا شَرِيكَ لَهُ وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُهُ وَرَسُولُهُ

“আমি সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, আল্লাহ ছাড়া কোনো (সত্য) ইলাহ নেই, তিনি এক ও একক। তাঁর কোনো শরীক নেই।

আমি আরও সাক্ষ্য দিচ্ছি যে, মুহাম্মদ তাঁর বান্দা ও তাঁর রাসূল।”) তার জন্য জান্নাতের আটটি দরজা খুলে দেয়া হবে

এবং সে যে দরজা দিয়ে ইচ্ছা জান্নাতে প্রবেশ করতে পারবে। সুনান আদ-দারেমী : ৭৩৯

…………….

وَزَادَ فِي الْمُنْيَةِ: وَأَنْ يَقُولَ بَعْدَ فَرَاغِهِ

سُبْحَانَك اللَّهُمَّ وَبِحَمْدِك، أَشْهَدُ أَنْ لَا إلَهَ إلَّا أَنْتَ، أَسْتَغْفِرُك وَأَتُوبُ إلَيْك، وَأَشْهَدُ أَنَّ مُحَمَّدًا عَبْدُك وَرَسُولُك

نَاظِرًا إلَى السَّمَاءِ
——–
ص128 – كتاب الدر المختار وحاشية ابن عابدين رد المحتار – سنن الوضوء

Facebook Comments

1 Trackback / Pingback

  1. অযুর উপর অযু কে কখন নুরুন আলা নুর বলা হয়? - বাংলা ইসলাম

Comments are closed.