হুশ-জ্ঞানহীন ব্যক্তির উপর নামাজ পড়া কি ?

জ্ঞানহীন ব্যক্তির উপর নামাজ
জ্ঞানহীন ব্যক্তির উপর নামাজ

হুশ-জ্ঞানহীন ব্যক্তির উপর নামাজ পড়া কি ?

কোন এক ব্যক্তি যারা আকল নষ্ট হয়ে গেছে। যার কারণে সে মাঝে মাঝে নামাজ পড়ে। আবার পড়ে না। এখন প্রশ্ন হলো এ ধরনের জ্ঞানহীন ব্যক্তির উপর নামাজ রোজা মাফ।

নাকি কাযা-কাফফারা আদায় করতে হবে।

আজ আমরা হুশ-জ্ঞানহীন ব্যক্তির উপর নামাজ পড়া কি এ বিষয়টি নিয়ে বাংলা ইসলাম (BanglaIslam .net) এর পক্ষ থেকে দলিল ভিত্তিক আলোচনা করার চেষ্টা করব। ইনশা-আল্লাহ।

আল্লাহ তায়ালার প্রশংসা ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দুরুদ পাঠ করে শুরু করছি।

স্বাভাবিকভাবে যার আকল নষ্ট হয়ে যায় অর্থাৎ পাগল হয়ে যায়। সে মুকাল্লাফ এর অন্তর্ভুক্ত থাকে না। আর মুকাল্লাফ হওয়ার জন্য একটি শর্ত হলো দেমাগ বা ব্রেন ঠিক থাকা।

এখন এ ধরনের ব্যক্তির জন্য হুকুম হলো যদি সে নামাজের ফরযিয়্যাত সম্পর্কে বুঝে এবং নামাজ আদায় করার মতো হুশ-জ্ঞান থাকে তাহলে তার জন্য নামাজ মাফ হবে না

আর যদি সে নামাজের ফরযিয়্যাত সম্পর্কে কিছুই বুঝে না এবং নামায আদায় করার মতো হুশ-জ্ঞানহীন না থাকে। তাহলে সে মুকাল্লাফ না হওয়ার কারণে

আশা করা যায় আল্লাহ তাআলা তার নামায না পড়ার কারণে যে গুনা হয় তা মাফ করে দিবেন।

সঠিকটা আল্লাহ তাআলাই ভালো জানেন।

হুশ-জ্ঞানহীন ব্যক্তির উপর নামাজ পড়া কি? তার হুকুমের দলিল সমূহ।

 

هِيَ فَرْضُ عَيْنٍ عَلَى كُلِّ مُكَلَّفٍ… ثُمَّ الْمُكَلَّفُ هُوَ الْمُسْلِمُ الْبَالِغُ الْعَاقِلُ وَلَوْ أُنْثَى أَوْ عَبْدًا.
——–
ص352 – كتاب الدر المختار وحاشية ابن عابدين رد المحتار – كتاب الصلاة

…….

وَفِي أُصُولِ الْبُسْتِيِّ أَنَّهُ لَا يُكَلَّفُ بِأَدَائِهَا كَالصَّبِيِّ الْعَاقِلِ

إلَّا أَنَّهُ إنْ زَالَ الْعَتَهُ تَوَجَّهَ عَلَيْهِ الْخِطَابُ بِالْأَدَاءِ حَالًا

وَبِقَضَاءِ مَا مَضَى بِلَا حَرَجٍ، فَقَدْ صَرَّحَ بِأَنَّهُ يَقْضِي الْقَلِيلَ دُونَ الْكَثِيرِ

وَإِنْ لَمْ يَكُنْ مُخَاطَبًا فِيمَا قَبْلُ كَالنَّائِمِ وَالْمُغْمَى عَلَيْهِ دُونَ الصَّبِيِّ إذَا بَلَغَ

وَهُوَ أَقْرَبُ إلَى التَّحْقِيقِ، كَذَا فِي شَرْحِ الْمُغْنِي لَلْهِنْدِيِّ إسْمَاعِيلُ مُلَخَّصًا
——–
ص258 – كتاب الدر المختار وحاشية ابن عابدين رد المحتار – كتاب الزكاة

……….

وشروطها ستعلمها وحكمها سقوط الواجب ونيل الثواب

وأركانها ستعلمها وصفتها إما فرض أو واجب أو سنة ستعلمها مفصلة إن شاء الله تعالى

يشترط لفرضيتها  أي لتكليف الشخص بها ثلاثة أشياء

الإسلام: لأنه شرط للخطاب بفروع الشريعة

والبلوغ: إذ لا خطاب على صغير

والعقل: لانعدام التكليف دونه

و لكن “تؤمر بها الأولاد” إذا وصلوا في السن “لسبع سنين وتضرب عليها لعشر بيد لا بخشبة

أي عصا كجريدة رفقا به وزجرا
——–
ص173 – كتاب حاشية الطحطاوي على مراقي الفلاح شرح نور الإيضاح

Facebook Comments

1 Trackback / Pingback

  1. নামাজের জন্য জোরাজুরি করা কি জায়েজ। - বাংলা ইসলাম

Comments are closed.