পবিত্র ঈদুল আজহার সুন্নত সমূহের দলিল বিত্ত্বিক আলোচনা। Bangla Islam

পবিত্র ঈদুল আজহার সুন্নত সমূহের দলিল বিত্ত্বিক আলোচনা। Bangla Islam
পবিত্র ঈদুল আজহার সুন্নত সমূহের দলিল বিত্ত্বিক আলোচনা। Bangla Islam

পবিত্র ঈদুল আজহার সুন্নত সমূহ।

আসছে পবিত্র ঈদুল আজহা। মুসলমানদের ধর্মীয় জাতীয় ও আন্তর্জাতিক মহোৎসব। মুসলিমদের সবচেয়ে বড় আনন্দ ও ত্যাগের দিন। আর এটা পালিত হবে ঈদুল আজহার সুন্নত সমূহের গুরুত্ব দিলে। কেননা এ দিনটি হল নিজেকে আল্লাহর কাছে মুত্তাকী হিসাবে পরিচিত করার আনন্দ।

তাই এ আনন্দ যেন ইবাদতে ও সুন্নতের মাঝে কাটে সে জন্য কিছু বিশেষ আমল ও সুন্নত রয়েছে যা আমল করা জরুরী। আজ আমরা সে আমল ও সুন্নত সমূহের দলিল বিত্ত্বিক আলোচনা করব। ইনশ-আল্লাহ।

১. অন্যদিনের তুলনায় সকালে ঘুম থেকে জাগ্রত হওয়া।

حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ مَنْصُورٍ………عَنْ صَخْرٍ الْغَامِدِيِّ، عَنِ النَّبِيِّ صَلَّى عَلَيْهِ وَسَلَّمَ

قَالَ: اللَّهُمَّ بَارِكْ لِأُمَّتِي فِي بُكُورِهَا

সাখর আল-গামিদী (রাঃ) সূত্রে বর্ণিত। নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেনঃ

‘‘হে আল্লাহ! আপনি আমার উম্মতকে ভোরের বরকত দান করুন।’’

২. ঈদুল আজহার সুন্নত সমূহের একটি মিসওয়াক করা।

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ…….عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ ـ رضى الله عنه ـ أَنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم

قَالَ ‏ “‏ لَوْلاَ أَنْ أَشُقَّ عَلَى أُمَّتِي ـ أَوْ عَلَى النَّاسِ ـ لأَمَرْتُهُمْ بِالسِّوَاكِ مَعَ كُلِّ صَلاَةٍ ‏”‏‏.‏

আবদুল্লাহ ইবনু ইউসুফ (রহঃ) … আবূ হুরায়রা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ

আমার উম্মাতের জন্য বা তিনি বলেছেন, লোকদের জন্য যদি কঠিন মনে না করতাম,

তা হলে প্রত্যেক সালাত (নামায/নামাজ)-এর সাথে তাদের মিসওয়াক করার নির্দেশ দিতাম।

৩. ঈদুল আজহার সুন্নত সমূহের একটি গোসল করা।

حَدَّثَنَا جُبَارَةُ بْنُ الْمُغَلِّسِ…..عَنِ ابْنِ عَبَّاسٍ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ ـ صلى الله عليه وسلم

ـ يَغْتَسِلُ يَوْمَ الْفِطْرِ وَيَوْمَ الأَضْحَى ‏.‏

ইবনু আব্বাস (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম

ঈদুল ফিতর ও ঈদুল আযহার দিন গোসল করতেন।

৪. শরীয়তসম্মত সাজসজ্জা করা এবং সামর্থ‍্য অনুপাতে উত্তম পোশাক পরিধান করা।

أَبُو الْيَمَانِ قَالَ أَخْبَرَنَا …. أَنَّ عَبْدَ اللهِ بْنَ عُمَرَ قَالَ أَخَذَ عُمَرُ جُبَّةً مِنْ إِسْتَبْرَقٍ

تُبَاعُ فِي السُّوقِ فَأَخَذَهَا فَأَتَى بِهَا رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم

فَقَالَ يَا رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم ابْتَعْ هَذِهِ تَجَمَّلْ بِهَا لِلْعِيدِ

وَالْوُفُودِ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم إِنَّمَا هَذِهِ لِبَاسُ مَنْ لاَ خَلَاقَ لَهُ

فَلَبِثَ عُمَرُ مَا شَاءَ اللهُ أَنْ يَلْبَثَ ثُمَّ أَرْسَلَ إِلَيْهِ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم

بِجُبَّةِ دِيبَاجٍ فَأَقْبَلَ بِهَا عُمَرُ فَأَتَى بِهَا رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم

فَقَالَ يَا رَسُولَ اللهِ صلى الله عليه وسلم إِنَّكَ قُلْتَ إِنَّمَا هَذِهِ لِبَاسُ مَنْ لاَ خَلَاقَ لَهُ

وَأَرْسَلْتَ إِلَيَّ بِهَذِهِ الْجُبَّةِ فَقَالَ لَهُ رَسُولُ اللهِ صلى الله عليه وسلم تَبِيعُهَا أَوْ تُصِيبُ بِهَا حَاجَتَكَ.

কুরবানীর গোশত পারিশ্রমিক হিসেবে প্রদান যায়েজ কিনা

আবদুল্লাহ্ ইবনু ‘উমার (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, বাজারে বিক্রি হচ্ছিল এমন একটি রেশমী জুববা নিয়ে ‘উমার (রাযি.)

আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট এসে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি এটি ক্রয় করে নিন।

‘ঈদের সময় এবং প্রতিনিধি দলের সঙ্গে সাক্ষাতের সময় এটি দিয়ে নিজেকে সজ্জিত করবেন। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাকে বললেনঃ

এটি তো তার পোষাক, যার (আখিরাতে) কল্যাণের কোন অংশ নেই। এ ঘটনার পর ‘উমার (রাযি.) আল্লাহর যত দিন ইচ্ছা ততদিন অতিবাহিত করলেন।

অতঃপর আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁর নিকট একটি রেশমী জুববা পাঠালেন, ‘উমার (রাযি.) তা গ্রহণ করেন

এবং সেটি নিয়ে আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম -এর নিকট এসে বললেন, হে আল্লাহর রাসূল! আপনি তো বলেছিলেন,

এটা তার পোষাক যার (আখিরাতে) কল্যাণের কোন অংশ নেই। অথচ আপনি এ জুববা আমার নিকট পাঠিয়েছেন। তখন আল্লাহর রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম তাঁকে বললেনঃ

তুমি এটি বিক্রি করে দাও এবং বিক্রয়লব্ধ অর্থ দিয়ে তোমার প্রয়োজন পূরণ কর।

৬. ঈদুল আজহার সুন্নত সমূহের একটি ঈদের দিন সুগন্ধি ব্যবহার করা।

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ يُوسُفَ….عَنْ عَائِشَةَ ـ رضى الله عنها ـ زَوْجِ النَّبِيِّ صلى الله عليه وسلم

قَالَتْ كُنْتُ أُطَيِّبُ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم لإِحْرَامِهِ حِينَ يُحْرِمُ، وَلِحِلِّهِ قَبْلَ أَنْ يَطُوفَ بِالْبَيْتِ‏.‏

আবদুল্লাহ ইবনু ইউসুফ (রহঃ) … নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সহধর্মিণী ‘আয়িশা (রাঃ) থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন,

ইহ্‌রাম বাঁধার সময় আমি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এর গায়ে সুগন্ধি মেখে দিতাম এবং বায়তুল্লাহ তাওয়াফের পূর্বে ইহরাম খোলার সময়ও।

৭. ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে যাবার আগে মিষ্টি জাতীয় যেমন খেজুর ইত্যাদি খাওয়া।

তবে ঈদুল আজহাতে কিছু না খেয়ে ঈদের নামাযের পর নিজের কুরবানীর গোশত আহার করা উত্তম।

حَدَّثَنَا الْحَسَنُ بْنُ الصَّبَّاحِ الْبَزَّارُ الْبَغْدَادِيُّ…..عَنْ عَبْدِ اللَّهِ بْنِ بُرَيْدَةَ، عَنْ أَبِيهِ،

قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم لاَ يَخْرُجُ يَوْمَ الْفِطْرِ حَتَّى يَطْعَمَ وَلاَ يَطْعَمُ يَوْمَ الأَضْحَى حَتَّى يُصَلِّيَ

আবদুল্লাহ ইবনু বুরাইদা (রহঃ) হতে তার পিতার সূত্রে বর্ণিত আছে, তিনি (বুরাইদা) বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম

ঈদুল ফিতরের দিন কিছু না খাওয়া পর্যন্ত নামাযে বের হতেন না এবং ঈদুল আযহার দিন নামায না আদায় করা পর্যন্ত কিছু খেতেন না।

৮. সকাল সকাল ঈদগাহে যাওয়া।

عَنِ ابْنِ عُمَرَ قَالَ: كَانَ النَّبِيُّ صَلَّى اللَّهُ عَلَيْهِ وَسَلَّمَ يَغْدُو إِلَى الْمُصَلَّى

(‘আবদুল্লাহ) ইবনু ‘উমার (রাঃ) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম সকালে ঈদগাহে চলে যেতেন।

৯. ঈদের নামায ঈদগাহে আদায় করা, বিনা অপরাগতায় মসজিদে আদায় না করা।

حَدَّثَنَا سَعِيدُ بْنُ أَبِي مَرْيَمَ….عَنْ أَبِي سَعِيدٍ الْخُدْرِيِّ، قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم

يَخْرُجُ يَوْمَ الْفِطْرِ وَالأَضْحَى إِلَى الْمُصَلَّى، فَأَوَّلُ شَىْءٍ يَبْدَأُ بِهِ الصَّلاَةُ ثُمَّ يَنْصَرِفُ،

فَيَقُومُ مُقَابِلَ النَّاسِ، وَالنَّاسُ جُلُوسٌ عَلَى صُفُوفِهِمْ، فَيَعِظُهُمْ وَيُوصِيهِمْ وَيَأْمُرُهُمْ،

فَإِنْ كَانَ يُرِيدُ أَنْ يَقْطَعَ بَعْثًا قَطَعَهُ، أَوْ يَأْمُرَ بِشَىْءٍ أَمَرَ بِهِ، ثُمَّ يَنْصَرِفُ‏.

আবূ সা‘ঈদ খুদরী (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘ঈদুল ফিত্র ও ‘ঈদুল আযহার দিন ‘ঈদমাঠে যেতেন

এবং সেখানে তিনি প্রথম যে কাজ শুরু করতেন তা হল সালাত। আর সালাত শেষ করে তিনি লোকদের দিকে মুখ করে দাঁড়াতেন

এবং তাঁরা তাঁদের কাতারে বসে থাকতেন। তিনি তাঁদের নাসীহাত করতেন, উপদেশ দিতেন এবং নির্দেশ দান করতেন।

যদি তিনি কোন সেনাদল পাঠাবার ইচ্ছা করতেন, তবে তাদের আলাদা করে নিতেন। অথবা যদি কোন বিষয়ে নির্দেশ জারী করার ইচ্ছা করতেন

তবে তা জারি করতেন। অতঃপর তিনি ফিরে যেতেন।

১০. যে রাস্তায় ঈদগাতে যাবে, সম্ভব হলে ফেরার সময় অন্য রাস্তা দিয়ে ফেরা।

حَدَّثَنَا مُحَمَّدٌ، قَالَ أَخْبَرَنَا أَبُو تُمَيْلَةَ….عَنْ جَابِرٍ، قَالَ كَانَ النَّبِيُّ صلى الله عليه وسلم

إِذَا كَانَ يَوْمُ عِيدٍ خَالَفَ الطَّرِيقَ‏.‏

জাবির (রাযি.) হতে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ‘ঈদের দিন (বাড়ী ফেরার পথে) ভিন্ন পথে আসতেন।

১১. ঈদুল আজহার সুন্নত সমূহের একটি ঈদগাহে পায়ে হেঁটে যাওয়া।

حَدَّثَنَا إِسْمَاعِيلُ بْنُ مُوسَى الْفَزَارِيُّ….عَنْ عَلِيِّ بْنِ أَبِي طَالِبٍ،

قَالَ مِنَ السُّنَّةِ أَنْ تَخْرُجَ، إِلَى الْعِيدِ مَاشِيًا وَأَنْ تَأْكُلَ شَيْئًا قَبْلَ أَنْ تَخْرُجَ ‏.

আলী (রাঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, ঈদের মাঠে পায়ে হেটে যাওয়া এবং যাওয়ার আগে কিছু খাওয়া সুন্নাতের অন্তর্ভুক্ত।

حَدَّثَنَا هِشَامُ بْنُ عَمَّارٍ، حَدَّثَنَا عَبْدُ الرَّحْمَنِ بْنُ سَعْدِ بْنِ عَمَّارِ بْنِ سَعْدٍ،

حَدَّثَنِي أَبِي، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ جَدِّهِ، أَنَّ النَّبِيَّ ـ صلى الله عليه وسلم

ـ كَانَ يَخْرُجُ إِلَى الْعِيدِ مَاشِيًا وَيَرْجِعُ مَاشِيًا ‏.‏

সা’দ (রাঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, নবী সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম পদব্রজে ঈদগাহে যেতেন এবং পদব্রজেই ঈদগাহ থেকে ফিরে আসতেন।

১২. ঈদুল ফিতরে ঈদগাহে যাবার সময় তাকবীর পড়তে থাকাঃ

وَحَدَّثَنَا يَحْيَى بْنُ يَحْيَى، قَالَ قَرَأْتُ عَلَى مَالِكٍ عَنْ مُحَمَّدِ بْنِ أَبِي بَكْرٍ الثَّقَفِيِّ،

أَنَّهُ سَأَلَ أَنَسَ بْنَ مَالِكٍ وَهُمَا غَادِيَانِ مِنْ مِنًى إِلَى عَرَفَةَ كَيْفَ كُنْتُمْ تَصْنَعُونَ

فِي هَذَا الْيَوْمِ مَعَ رَسُولِ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم

فَقَالَ كَانَ يُهِلُّ الْمُهِلُّ مِنَّا فَلاَ يُنْكَرُ عَلَيْهِ وَيُكَبِّرُ الْمُكَبِّرُ مِنَّا فَلاَ يُنْكَرُ عَلَيْهِ ‏.‏

ইয়াহইয়া ইবনু ইয়াহইয়া (রহঃ) …. মুহাম্মাদ ইবনু আবূ বাকর আস্ সাক্বাফী (রহঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি আনাস ইবনু মালিক (রাযিঃ) এর সাথে

সকালবেলা মিনা থেকে আরাফায় যাওয়ার সময় তাকে জিজ্ঞেস করলেন, আপনারা এ দিন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম

এর সাথে কিভাবে কী করতেন? তিনি বললেন, আমাদের কতক তালবিয়াহ পাঠ করত কিন্তু তাতে বাঁধা দেয়া হতো না

এবং কতক তাকবীর ধ্বনি উচ্চারণ করত কিন্তু তাতেও বাঁধা দেয়া হতো না।

اللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ لَا إِلَهَ إِلَّا اللَّهُ، وَاللَّهُ أَكْبَرُ اللَّهُ أَكْبَرُ وَلِلَّهِ الْحَمْدُ

উচ্চারণ :- আল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার লা ইলাহা ইল্লাল্লাহু ওয়াল্লাহু আকবার আল্লাহু আকবার ওয়া লিল্লাহিল হামদ।
তবে ঈদুল আযহায় যাবার সময় পথে এ তাকবীর আওয়াজ করে পড়তে থাকবে।

অর্থ : আল্লাহ মহান, আল্লাহ অতিমহান, তিনি ছাড়া সত্যিকার আর কোন মা‘বুদ নেই। আল্লাহ মহান আল্লাহ মহান আর সমস্ত প্রশংসা শুধুমাত্র তাঁরই জন্য।

আল্লাহ আমাদের সকলকে উল্লেখিত আয়াত ও হাদিস সমূহের আলোকে ঈদুল আজহার সুন্নত সমূহের সব গুলোর উপর আমল করার তাওফিক দান করুক। আমিন।

মাও. ইবরাহিম মোস্তফা
মাও. ইবরাহিম মোস্তফা

 

Facebook Comments

1 Trackback / Pingback

  1. আজব দুনিয়া । জাহান্নাম থেকে মুক্তির উপায় । Bangla Islam

Comments are closed.