ইহসান ইকরাম কোথায় করব | ক্রোধকে হজম করাও ইহসান | Bangla Islam

ইহসান ইকরাম কোথায় করব
ইহসান ইকরাম কোথায় করব ক্রোধকে হজম করাও ইহসান Bangla Islam

ইহসান ইকরাম কোথায় করব

ইহসান করা ও ইকরাম করা প্রত্যেক মানুষের দায়িত্ব ও কর্তব্যের অন্তর্ভুক্ত। কিন্তু প্রশ্ন হল ইহসান ইকরাম কোথায় করব ? এর সোজা সহজ উত্তর হল যাদের ধন-সম্পদ যতখানি বিস্তৃত, তাদের দায়িত্ব ও কর্তব্য ঠিক ততখানি ব্যাপক ও বিশাল।

পবিত্র কোরআনে আল্লাহ তায়ালা কারুনকে উপদেশ দিয়ে বলেছিলেন:

وَابْتَغِ فِيمَا آتَاكَ اللَّهُ الدَّارَ الْآخِرَةَ وَلَا تَنسَ نَصِيبَكَ مِنَ الدُّنْيَا

وَأَحْسِن كَمَا أَحْسَنَ اللَّهُ إِلَيْكَ وَلَا تَبْغِ الْفَسَادَ فِي الْأَرْضِ

إِنَّ اللَّهَ لَا يُحِبُّ الْمُفْسِدِينَ

আল্লাহ তোমাকে যা দান করেছেন, তদ্বারা পরকালের গৃহ অনুসন্ধান কর, এবং ইহকাল থেকে তোমার অংশ ভূলে যেয়ো না।

তুমি অনুগ্রহ কর, যেমন আল্লাহ তোমার প্রতি অনুগ্রহ করেছেন এবং পৃথিবীতে অনর্থ সৃষ্টি করতে প্রয়াসী হয়ো না।

নিশ্চয় আল্লাহ অনর্থ সৃষ্টিকারীদেরকে পছন্দ করেন না। সুরা কাসাস আয়াত : ৭৭

কারুনের বংশের লোকেরা চেয়েছিল তার মাঝে এ নৈতিক গুণটির বিকাশ ঘটুক। কিন্তু না সে দম্ভ করতে লাগল এ নিয়ে আল্লাহ তায়ালা বলেন:

قَالَ إِنَّمَا أُوتِيتُهُ عَلَى عِلْمٍ عِندِي أَوَلَمْ يَعْلَمْ أَنَّ اللَّهَ قَدْ أَهْلَكَ مِن قَبْلِهِ مِنَ القُرُونِ

مَنْ هُوَ أَشَدُّ مِنْهُ قُوَّةً وَأَكْثَرُ جَمْعًا

وَلَا يُسْأَلُ عَن ذُنُوبِهِمُ الْمُجْرِمُونَ

সে বলল, আমি এই ধন আমার নিজস্ব জ্ঞান-গরিমা দ্বারা প্রাপ্ত হয়েছি। সে কি জানে না যে, আল্লাহ তার পূর্বে অনেক সম্প্রদায়কে ধ্বংস করেছেন,

যারা শক্তিতে ছিল তার চাইতে প্রবল এবং ধন-সম্পদে অধিক প্রাচুর্যশীল?

পাপীদেরকে তাদের পাপকর্ম সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হবে না। সুরা কাসাস আয়াত : ৭৮

তাই ইহসান করতে কোন ধরণের কৃপনতা না করা। কেননা ইহসান করতে পরা এটা আল্লাহ তায়ালার পক্ষ থেকে এক ধরণের বিষেশ ইহসান।

ইহসানের একটি বিশেষ দিক হচ্ছে এই যে, কাউকে বিপদ থেকে উদ্ধার করা। তাই দেখা যায়, ধন-সম্পদের মাধ্যমে অথবা মুসিবত থেকে উদ্ধার করার মাধ্যমে

ইহসান প্রদর্শনের উত্তম দিকটি বিকশিত হয়ে উঠে। এ ছাড়াও অসংখ্য, অগণিত সদ্ব্যবহার, বদান্যতা ও সহৃদয়তাকে আল্লাহপাক ইহসানের পর্যায়ভুক্ত করেছেন।

যেমন হাদিসে বর্ণিত রয়েছে ইহসান ইকরাম কোথায় করব

حَدَّثَنَا عَبْدُ الْعَزِيزِ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ… عَنْ سَالِمِ بْنِ عَبْدِ اللَّهِ، عَنْ أَبِيهِ، أَنَّهُ أَخْبَرَهُ أَنَّهُ، سَمِعَ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَقُولُ

إِنَّمَا بَقَاؤُكُمْ فِيمَا سَلَفَ قَبْلَكُمْ مِنَ الأُمَمِ كَمَا بَيْنَ صَلاَةِ الْعَصْرِ إِلَى غُرُوبِ الشَّمْسِ، أُوتِيَ أَهْلُ التَّوْرَاةِ التَّوْرَاةَ

فَعَمِلُوا حَتَّى إِذَا انْتَصَفَ النَّهَارُ عَجَزُوا، فَأُعْطُوا قِيرَاطًا قِيرَاطًا

ثُمَّ أُوتِيَ أَهْلُ الإِنْجِيلِ الإِنْجِيلَ فَعَمِلُوا إِلَى صَلاَةِ الْعَصْرِ، ثُمَّ عَجَزُوا

فَأُعْطُوا قِيرَاطًا قِيرَاطًا، ثُمَّ أُوتِينَا الْقُرْآنَ فَعَمِلْنَا إِلَى غُرُوبِ الشَّمْسِ

فَأُعْطِينَا قِيرَاطَيْنِ قِيرَاطَيْنِ، فَقَالَ أَهْلُ الْكِتَابَيْنِ أَىْ رَبَّنَا أَعْطَيْتَ هَؤُلاَءِ قِيرَاطَيْنِ قِيرَاطَيْنِ

وَأَعْطَيْتَنَا قِيرَاطًا قِيرَاطًا، وَنَحْنُ كُنَّا أَكْثَرَ عَمَلاً، قَالَ قَالَ اللَّهُ عَزَّ وَجَلَّ

هَلْ ظَلَمْتُكُمْ مِنْ أَجْرِكُمْ مِنْ شَىْءٍ قَالُوا لاَ، قَالَ

فَهْوَ فَضْلِي أُوتِيهِ مَنْ أَشَاءُ‏‏.‏

আবদুল আযীয ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) …. সালিম ইবনু আবদুল্লাহ (রহঃ) তাঁর পিতা থেকে বর্ণনা করেন, তিনি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে বলতে শুনেছেন যে,

পূর্বেকার উম্মাতের স্থায়িত্বের তুলনায় তোমাদের স্থায়িত্ব হল আসর থেকে নিয়ে সূর্য অস্ত যাওয়ার মধ্যবর্তী সময়ের অনুরূপ। তাওরাত অনুসারীদেরকে তাওরাত দেওয়া হয়েছিল।

তারা তদনুসারে কাজ করতে লাগল; যখন দুপুর হল, তখন তারা অপারগ হয়ে পড়ল। তাদের এক এক ‘কীরাত’ করে পারিশ্রমিক প্রদান করা হয়।

তারপর ইনজীল অনুসারীদেরকে ইনজীল দেওয়া হল। তারা আসরের সালাত (নামায/নামাজ) পর্যন্ত কাজ করে অপারগ হয়ে পড়ল।

তাদেরকে এক এক ‘কীরাত’ করে পারিশ্রমিক দেওয়া হল। তারপর আমাদেরকে কুরাআন দেওয়া হল। আমরা সূর্যাস্ত পর্যন্ত কাজ করলাম।

আমদের দুই দুই ‘কীরাত’ করে দেওয়া হল। এতে উভয় কিতাবী সম্প্রদায় বলল, হে আমাদের প্রতিপালক! তাদের দুই দুই ‘কীরাত’ করে দান করেছেন,

আর আমাদেরকে দিয়েছেন এক এক কীরাত করে; অথচ আমলের দিক দিয়ে আমরাই বেশী। আল্লাহ তা’আলা বললেনঃ

তোমাদের পারিশ্রমিকের ব্যাপারে আমি কি তোমাদের প্রতি কোনরূপ যুলুম করেছি? তারা বলল, না। তখন আল্লাহ্ তা’আলা বললেনঃ

এ হল, আমার অনুগ্রহ যাকে ইচ্ছা তাকে দেই।

ক্রোধকে হজম করাও এক ধরনের ইহসান।

অপরাধীদের অপরাধ ক্ষমা করে তার বিপরিতিতে ক্রোধকে হজম করাও এক ধরণের ইহসান। আল্লাহপাক এ পর্যায়ের ইহসানকে ভিন্ন মর্যাদা দিয়েছেন যেমন কোরআনে ইরশাদ হচ্ছে:

الَّذِينَ يُنفِقُونَ فِي السَّرَّاء وَالضَّرَّاء وَالْكَاظِمِينَ الْغَيْظَ وَالْعَافِينَ عَنِ النَّاسِ

وَاللّهُ يُحِبُّ الْمُحْسِنِينَ

যারা স্বচ্ছলতায় ও অভাবের সময় ব্যয় করে, যারা নিজেদের রাগকে সংবরণ করে আর মানুষের প্রতি ক্ষমা প্রদর্শন করে,

বস্তুতঃ আল্লাহ সৎকর্মশীলদিগকেই ভালবাসেন। সুরা ইমরান আয়াত : ১৩৪

এ ক্ষেত্রে স্বরণীয় যে গরিব কিংবা কোনো নিকটতম বন্ধু-বান্ধব থেকে এমন কোনো আচরণ যদি প্রকাশ পায়, যার দরুণ অসন্তুষ্টি পয়দা হয়,

স্বীয় ইহসান থেকে বিরত না থাকা।

তাহলে ইহসানকামীদের দায়িত্ব ও কর্তব্য হচ্ছে তা ক্ষমা করে দেয়া এবং স্বীয় ইহসান থেকে বিরত না থাকা। আল কোরআনে ঘোষণা করা হয়েছে:

وَلَا يَأْتَلِ أُوْلُوا الْفَضْلِ مِنكُمْ وَالسَّعَةِ

أَن يُؤْتُوا أُوْلِي الْقُرْبَى وَالْمَسَاكِينَ وَالْمُهَاجِرِينَ فِي سَبِيلِ اللَّهِ وَلْيَعْفُوا وَلْيَصْفَحُوا

أَلَا تُحِبُّونَ أَن يَغْفِرَ اللَّهُ لَكُمْ وَاللَّهُ غَفُورٌ رَّحِيمٌ

তোমাদের মধ্যে যারা উচ্চমর্যাদা ও আর্থিক প্রাচুর্যের অধিকারী, তারা যেন কসম না খায় যে,

তারা আত্নীয়-স্ব জনকে, অভাবগ্রস্তকে এবং আল্লাহর পথে হিজরতকারীদেরকে কিছুই দেবে না। তাদের ক্ষমা করা উচিত এবং দোষক্রটি উপেক্ষা করা উচিত।

তোমরা কি কামনা কর না যে, আল্লাহ তোমাদেরকে ক্ষমা করেন? আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম করুণাময়। সুরা নুর আয়াত : ২২

উক্ত আলচনার স্বারমর্ম হল ঐ সমস্ত ব্যক্তিদের জন্য যাদেরকে আল্লাহ তায়ালা ধন-দৌলত দান করেছেন।

সাথে সাথে ঐ সমস্ত লোকেরাও অন্তরভুক্ত যারা অন্যের উপর ইহসান করার ক্ষমতা রাখে।

এখন যারা ইহসান করে থাকে তাদের সকলই কি ইকরাম অর্থাৎ সম্মান পাওয়ার যোগ্য? এ ব্যপারে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেন:

عن حضرت كعب بن الـمالك الانصارى رضى الله تعالى عنه عن ابيه قال قال رسول الله صلى الله عليه وسلم

ما ذئبان جائعان ارسلا فى غنم بافسد لـها من حرص الـمرء على الـمال والشرف لدينه

হযরত কা’ব ইবনে মালিক আনছারী রদ্বিয়াল্লাহু তায়ালা আনহু তিনি উনার পিতা থেকে বর্ণনা করেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম ইরশাদ করেন,

কোন ব্যক্তি যদি মান-সম্মান হাছিল করার জন্য অথবা সম্পদ লাভের আশায় কোন ইবাদত-বন্দেগী করে থাকে,

সে তার আমলনামা ততটুকু ক্ষতি করলো যেমন দু’টি ক্ষুধার্ত নেকড়ে বাঘকে এক পাল মেষের মধ্যে ছেড়ে দেয়া হলে যতটুকু ক্ষতি করবে।

হযরত মালেক দীনার রহমতুল্লাহি আলাইহি

এ প্রসঙ্গে একটি ঘঠনা বর্ণিত আছে, হযরত মালেক দীনার রহমতুল্লাহি আলাইহি। তিনি একবার দামেস্কের এক বড় মসজিদে এক বৎসর ব্যাপী ই’তিকাফ করলেন।

উনার উদ্দেশ্য ছিল, উনি সেই মসজিদের মুতাওয়াল্লী হবেন। এতে উনার মান-সম্মান, মর্যাদাঅর্জিত হবে। তাই এক বৎসর যাবৎ তিনি সেখানে ই’তিকাফ করলেন।

নামায-কালাম খুব বেশি বেশি করে আদায় করলেন, যাতে লোকেরা উনাকে পরহেযগার, মুত্তাক্বী, আল্লাহওয়ালা মনে করে মুতাওয়াল্লীর পদটি দিয়ে দেয়।

দেখা গেল, এক বৎসরের মধ্যে বেশ কয়েকজন মুতাওয়াল্লী পরিবর্তন হলো তথাপি উনাকে মুতাওয়াল্লী করার ব্যাপারে কেউ প্রস্তাবই করলো না।

একদিন রাতে তিনি মসজিদ থেকে বের হলেন ওযূ করার জন্য, তাহাজ্জুদ নামায পড়বেন। তিনি যখন মসজিদ থেকে বের হলেন, একটা গইবী আওয়াজ হলো।

তাওবার উপকারিতা

হে মালেক! এখনও কেন তুমি তওবা করছো না? আর কতদিন তুমি ধোকাবাজি করবে, প্রতারণা করবে মানুষের সাথে।

আর মহান আল্লাহ থেকে গাফিল হয়ে মাখলূক্বাতের মধ্যে মশগুল থাকবে এবং তাদের উপর ভরসা করবে? অতিসত্বর তওবা করো। আল্লাহ তায়ালা বলেন:

إِلَّا الَّذِينَ تَابُوا مِن بَعْدِ ذَلِكَ وَأَصْلَحُوا فَإِنَّ اللَّهَ غَفُورٌ رَّحِيمٌ

কিন্তু যারা এরপর তওবা করে এবং সংশোধিত হয়, আল্লাহ ক্ষমাশীল, পরম মেহেরবান।                          সুরা নুর আয়াত : ৫

তিনি যখন এ আওয়াজ শুনলেন, সাথে সাথে খালিছ তওবা করলেন। অতঃপর তাহাজ্জুদ নামায পড়লেন এবং মনে মনে নিয়ত করলেন, আজ ফজর নামায জামায়াতে পড়ে তিনি এখান থেকে চলে যাবেন।

এখানে আর ই’তিকাফ করবেন না। উনার যে উদ্দেশ্য ছিল মুতাওয়াল্লী হওয়ার সে উদ্দেশ্য পরিহার করলেন। কিন্তু দেখা গেল, মসজিদ কমিটির লোকজন বাদ ফজর এসে সকলে প্রস্তাব করলো।

মসজিদের মুতাওয়াল্লী হওয়ার জন্য।

তারা বললো হুজুর আজ থেকে আপনি আমাদের মসজিদের মুতাওয়াল্লী হয়ে যান। আমরা চিন্তা-ফিকির করে দেখেছি এ মসজিদের মুতাওয়াল্লী হওয়ার জন্য আপনিই একমাত্র উপযুক্ত ব্যক্তি।

তিনি বললেন, হে ব্যক্তিরা! আপনারা জেনে রাখুন, আজ এক বৎসর যাবৎ আমি ই’তিকাফ করেছি, নামায পড়েছি, রোযা করেছি, অনেক ইবাদত-বন্দেগী করেছি,

অনেক চেষ্টাও করেছি মুতাওয়াল্লী হওয়ার জন্য তবুও আমি মুতাওয়াল্লী হতে পারিনি।

কিন্তু যখন আমি খালিছ তওবা করে আল্লাহর দিকে রুজু হলাম তখনই  আপনারা আমার দিকে রুজূ হয়ে গেলেন। এখন আমার এই মুতাওয়াল্লীগিরির দরকার নেই।

এ পদের আকাঙ্খা আমি ছেড়ে দিয়েছি। এসব বলে তিনি সেখান থেকে চলে গেলেন।

মান সম্মান দান করার মালিক একমাত্র আল্লাহ।

কাজেই, মান-সম্মান লাভ করার উদ্দেশ্যে কোন আমল করা হলে তা আল্লাহ কবূল করেন না। মূলত: মান সম্মান দান করার মালিক একমাত্র আল্লাহ।

যেমন এ প্রসঙ্গে আল্লাহ ইরশাদ করেন:

قُلِ اللَّهُمَّ مَالِكَ الْمُلْكِ تُؤْتِي الْمُلْكَ مَن تَشَاء وَتَنزِعُ الْمُلْكَ مِمَّن تَشَاء

وَتُعِزُّ مَن تَشَاء وَتُذِلُّ مَن تَشَاء بِيَدِكَ الْخَيْرُ

إِنَّكَ عَلَىَ كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

বলুন ইয়া আল্লাহ! তুমিই সার্বভৌম শক্তির অধিকারী। তুমি যাকে ইচ্ছা রাজ্য দান কর এবং যার কাছ থেকে ইচ্ছা রাজ্য ছিনিয়ে নাও

এবং যাকে ইচ্ছা সম্মান দান কর আর যাকে ইচ্ছা অপমানে পতিত কর। তোমারই হাতে রয়েছে যাবতীয় কল্যাণ।

নিশ্চয়ই তুমি সর্ব বিষয়ে ক্ষমতাশীল। সুরা ইমরান আয়াত : ২৬

কাজেই, কেউ যদি মান-সম্মান হাছিল করতে চায় তার উচিত আল্লাহ তায়ালার দিকে রুজু হওয়া। আল্লাহ তায়ালা আমাদের সকলকে ইহসান ইকরাম কোথায় করব এ আলোচনা থেকে উপকৃত হওয়ার তাওফিক করেন। আমিন।

Facebook Comments

2 Trackbacks / Pingbacks

  1. আল্লাহর শ্রেষ্ঠ নেয়ামত | নিজেদের মধ্যে থেকে নবী পাঠিয়েছেন | Bangla Islam
  2. ইসলামে ধর্ষণের বিচার কি | ধর্ষনের বিচার নিয়ে আলোচনা | Bangla Islam

Comments are closed.