ইশরাকের সময় কখন শুরু হয় এবং সূর্যোদয়ে কত সময় লাগে

ইশরাকের সময় কখন
ইশরাকের সময় কখন

ইশরাকের সময় কখন শুরু হয় এবং সূর্যোদয়ে কত সময় লাগে?

সূর্যোদয়ের সাথে সাথে ফজরের ওয়াক্ত শেষ হয়ে যায়। এখন প্রশ্ন হলো তাহলে ইশরাকের সময় কখন শুরু হয়? এবং পূর্ণ সূর্য উদিত হবে কি পরিমাণ সময় লাগে?

আজ আমরা “ইশরাকের সময় কখন শুরু হয় এবং পূর্ণ সূর্য উদিত হবে কি পরিমাণ সময় লাগে” এ বিষয়টি নিয়ে বাংলা ইসলাম (BanglaIslam .net)

এর পক্ষ থেকে দলিল ভিত্তিক আলোচনা করার চেষ্টা করব। ইনশা-আল্লাহ।

আল্লাহ তায়ালার প্রশংসা ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দুরুদ পাঠ করে শুরু করছি…

সময়ের হিসাবে ঠিক সূর্যোদয়ের সময় থেকে নিয়ে পূর্ণ সূর্য উদিত হতে ঘড়ির কাটায় সময় লাগে ২ মিনিট ২৪ সেকেন্ড। (ফতোয়ায়ে মাহমুদিয়া খন্ড: ৫ পৃ: ৩৩৪) যা বিজ্ঞান দ্বারা প্রমাণিত।

এরপর সূর্য যখন এই পরিমাণ আলোকিত হয় যে, তার দিকে তাকিয়ে থাকা যায় না এবং তার রং সাদা হয়ে যায়। তখনি ইশরাকের সময় শুরু হয়।

স্বাভাবিকভাবে এ অবস্থাটি তৈরি হতে ২০ মিনিট সময় লাগে।

সঠিকটা আল্লাহ তাআলাই ভালো জানেন।

ইশরাকের সময় কখন শুরু হয় এবং পূর্ণ সূর্য উদিত হবে কি পরিমাণ সময় লাগে তার দলিল সমূহ।

قَوْلُهُ: مَعَ شُرُوقٍ وَمَا دَامَتْ الْعَيْنُ لَا تَحَارُ فِيهَا فِي حُكْمِ الشُّرُوقِ

كَمَا تَقَدَّمَ فِي الْغُرُوبِ أَنَّهُ لَا يَصِحُّ كَمَا فِي الْبَحْرِ ح

أَقُولُ: يَنْبَغِي تَصْحِيحُ مَا نَقَلُوهُ عَنْ الْأَصْلِ لِلْإِمَامِ مُحَمَّدٍ مِنْ أَنَّهُ مَا لَمْ تَرْتَفِعْ الشَّمْسُ قَدْرَ رُمْحٍ

فَهِيَ فِي حُكْمِ الطُّلُوعِ؛ لِأَنَّ أَصْحَابَ الْمُتُونِ مَشَوْا عَلَيْهِ فِي صَلَاةِ الْعِيدِ

حَيْثُ جَعَلُوا أَوَّلَ أَوْقَاتِهَا مِنْ الِارْتِفَاعِ وَلِذَا جَزَمَ بِهِ هُنَا فِي الْفَيْضِ وَنُورِ الْإِيضَاحِ.
——–
ص371 – كتاب الدر المختار وحاشية ابن عابدين رد المحتار – كتاب الصلاة

وَحَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ، وَابْنُ، نُمَيْرٍ…عَنِ الْقَاسِمِ الشَّيْبَانِيِّ، أَنَّ زَيْدَ بْنَ أَرْقَمَ

رَأَى قَوْمًا يُصَلُّونَ مِنَ الضُّحَى فَقَالَ أَمَا لَقَدْ عَلِمُوا أَنَّ الصَّلاَةَ فِي غَيْرِ هَذِهِ السَّاعَةِ أَفْضَلُ

إِنَّ رَسُولَ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم قَالَ ‏ “‏ صَلاَةُ الأَوَّابِينَ حِينَ تَرْمَضُ الْفِصَالُ ‏”‏ ‏.‏

যুহায়র ইবনু হারব ও ইবনু নুমায়র (রহঃ) ….. কাসিম আশ শায়বানী (রহঃ) থেকে বর্ণিত যায়দ ইবনু আরকাম (রাযিঃ)

একদল লোককে ‘যুহা’ বা চাশতের সালাত আদায় করতে দেখে বললেনঃ এখন তো লোকজন জেনে নিয়েছে যে,

এ সময় ব্যতীত অন্য সময় সালাত আদায় করা উত্তম বা সর্বাধিক মর্যাদার। কেননা রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ

সালাতুল আওয়াবীন’ বা আল্লাহকে অধিক স্মরণকারী বান্দাদের সালাতের সময় হ’ল তখন সূর্যতাপে উটের বাচ্চাদের পা গরম হয়ে যায়।

حَدَّثَنَا زُهَيْرُ بْنُ حَرْبٍ…عَنْ زَيْدِ بْنِ أَرْقَمَ، قَالَ خَرَجَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم

عَلَى أَهْلِ قُبَاءٍ وَهُمْ يُصَلُّونَ فَقَالَ ‏ “‏ صَلاَةُ الأَوَّابِينَ إِذَا رَمِضَتِ الْفِصَالُ.‏

যুহায়র ইবনু হারব (রহঃ) ….. যায়দ ইবনু আরক্বাম (রাযিঃ) থেকে বর্ণিত। তিনি বলেন, একদিন রসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম

কুবাবাসীদের এলাকায় গেলেন। সে সময় তারা সালাত আদায় করছিলেন। এ দেখে তিনি বললেনঃ ‘সালাতুল আওওয়াবীন’

বা চাশতের সালাতের উত্তম সময় হ’ল যখন সূৰ্যতাপে বালু গরম হাওয়ার কারণে উটের বাচ্চাগুলো পা উত্তপ্ত হতে শুরু করে।

 

Facebook Comments

1 Trackback / Pingback

  1. আহলে হাদীস ও হানাফিদের আসরের নামাজের সময়। - বাংলা ইসলাম

Comments are closed.