আহলে হাদীস ও হানাফিদের আসরের নামাজের সময়।

আহলে হাদীস ও হানাফিদের

আহলে হাদীস ও হানাফিদের আসরের নামাজের সময়।

আমরা জানি আহলে হাদীস ও হানাফিদের আসরের নামাজের সময়ে কিছুটা পার্থক্য রয়েছে যে, আহলে হাদীসদের আসরের নামাজ শুরু হয় হানাফী মাযহাবের অনুসারীদর বহু আগে।

আর হানাফী মাযহাব মতে আসরের সময় শুরু হয় প্রতিটি জিনিসের ছায়া, ছায়ায়ে আসলী ব্যতিত। এখানে প্রশ্ন হল জায়েদ নামে এক ব্যক্তি যে,

হানাফী মাযহাবের অনুসারী সে ইমামতি করে আহলে হাদীসদের মসজিদে। আর আহলে হাদীসরা আসরের নামাজ পড়ে থাকে ছায়া দ্বিগুণ হওয়ার পূর্বেই।

তাই জায়েদ ইমামতির সুবাদে তাদের সময়মতো আসরের নামাজের ইমামতি করে। অতঃপর পুনরায় হানাফি মাজহাব অনুসারে আসরের সময়

একাকী নামাজ পড়ে থাকে। এমতাবস্থায় জায়েদ ও আহলে হাদীসদের নামাজের হুকুম কি?

আজ আমরা “আহলে হাদীস ও হানাফিদের আসরের নামাজের সময়” এ বিষয়টি নিয়ে

বাংলা ইসলাম (BanglaIslam .net) এর পক্ষ থেকে দলিল ভিত্তিক আলোচনা করার চেষ্টা করব। ইনশা-আল্লাহ।

আল্লাহ তায়ালার প্রশংসা ও রাসূল সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর দুরুদ পাঠ করে শুরু করছি…

উল্লিখিত অবস্থায় পছন্দনীয় ও মুফতাবিহী কথা হলো; আসরের সময় শুরু হয় ছায়া দ্বিগুণ হওয়ার পর। কিন্তু দ্বিতীয় আরো একটি কথা আছে যে,

ছায়া এক গুণ হয়ার পরেই আসরের সময় শুরু হয়ে যায়। তাই যায়েদের ইমামতি ও আহলে হাদিসদের নামাজ সহি হয়ে যাবে। সুতরাং যায়েদের পুনরায় নামায পড়তে হবে না।

সঠিকটা আল্লাহ তাআলাই ভালো জানেন।

আহলে হাদীস ও হানাফিদের আসরের নামাজের সময় কখন তার দলিল সমূহ।

قَوْلُهُ: إلَى بُلُوغِ الظِّلِّ مِثْلَيْهِ هَذَا ظَاهِرُ الرِّوَايَةِ عَنْ الْإِمَامِ نِهَايَةٌ

وَهُوَ الصَّحِيحُ بَدَائِعُ وَمُحِيطٌ وَيَنَابِيعُ، وَهُوَ الْمُخْتَارُ غِيَاثِيَّةٌ

وَاخْتَارَهُ الْإِمَامُ الْمَحْبُوبِيُّ وَعَوَّلَ عَلَيْهِ النَّسَفِيُّ وَصَدْرُ الشَّرِيعَةِ تَصْحِيحَ قَاسِمٍ وَاخْتَارَهُ أَصْحَابُ الْمُتُونِ

وَارْتَضَاهُ الشَّارِحُونَ، فَقَوْلُ الطَّحَاوِيِّ وَبِقَوْلِهِمَا نَأْخُذُ لَا يَدُلُّ عَلَى أَنَّهُ الْمَذْهَبُ

وَمَا فِي الْفَيْضِ مِنْ أَنَّهُ يُفْتَى بِقَوْلِهِمَا فِي الْعَصْرِ وَالْعِشَاءِ مُسَلَّمٌ فِي الْعِشَاءِ فَقَطْ عَلَى مَا فِيهِ، وَتَمَامُهُ فِي الْبَحْرِ.

قَوْلُهُ: وَعَنْهُ أَيْ عَنْ الْإِمَامِ ح. وَفِي رِوَايَةٍ عَنْهُ أَيْضًا أَنَّهُ بِالْمِثْلِ يَخْرُجُ وَقْتُ الظُّهْرِ

وَلَا يَدْخُلُ وَقْتُ الْعَصْرِ إلَّا بِالْمِثْلَيْنِ ذَكَرَهَا الزَّيْلَعِيُّ وَغَيْرُهُ، وَعَلَيْهَا فَمَا بَيْنَ الْمِثْلِ وَالْمِثْلَيْنِ وَقْتٌ مُهْمَلٌ.

قَوْلُهُ: مِثْلَهُ مَنْصُوبٌ بِبُلُوغِ الْمُقَدَّرِ وَالتَّقْدِيرُ وَعَنْ الْإِمَامِ إلَى بُلُوغِ الظِّلِّ مِثْلَهُ ح.

——–
ص359 – كتاب الدر المختار وحاشية ابن عابدين رد المحتار – كتاب الصلاة

Facebook Comments

1 Trackback / Pingback

  1. মাগরিবের আজানের পর নামাজের জন্য কি পরিমান বিলম্ব করা উচিত। - বাংলা ইসলাম

Comments are closed.