আল্লাহই একমাত্র ইলাহ তিনি ব্যতিত আর কোন উপাস্য নেই | Bangla Islam

আল্লাহই একমাত্র ইলাহ
আল্লাহই একমাত্র ইলাহ তিনি ব্যতিত আর কোন উপাস্য নেই Bangla Islam

আল্লাহই একমাত্র ইলাহ তিনি ব্যতিত আর কোন উপাস্য নেই

পৃথিবী! কে এই পৃথিবীর মালিক? কি বা তার পরিচয়? তার অধিবাসীরা কার ইবাদত করে? আল্লাহই একমাত্র ইলাহ তার কতটুকু সত্যতা রয়েছে? এ সকল প্রশ্নের উত্তর জানতে হলে আগে তার পরিচয় জানতে হবে। মানুষের পরিভাষায় পৃথিবী বলা হয়:

সূর্য থেকে দূরত্ব অনুযায়ী তৃতীয়, সর্বাপেক্ষা অধিক ঘনত্বযুক্ত এবং সৌরজগতের আটটি গ্রহের মধ্যে পঞ্চম বৃহত্তম গ্রহ। এটি সৌরজগতের চারটি কঠিন গ্রহের অন্যতম।

পৃথিবীর অপর নাম “বিশ্ব” বা “নীলগ্রহ”। ইংরেজি ভাষায় পরিচিত আর্থ (Earth) নামে, গ্রিক ভাষায় পরিচিত গাইয়া নামে, লাতিন ভাষায় এই গ্রহের নাম “টেরা (Terra)। পৃথিবী হলো মানুষ সহ কোটি কোটি প্রজাতির আবাসস্থল।

পৃথিবী এখন পর্যন্ত পাওয়া একমাত্র মহাজাগতিক স্থান যেখানে প্রাণের অস্তিত্বের কথা বিদিত। ৪৫৪ কোটি বছর আগে পৃথিবী গঠিত হয়েছিল।

আল্লাহই একমাত্র ইলাহ এবং দোয়া কবুলের শর্ত সমূহ।

এক বিলিয়ন বছরের মধ্যেই পৃথিবীর বুকে প্রাণের আবির্ভাব ঘটে। পৃথিবীর জীবমণ্ডল এই গ্রহের বায়ুমণ্ডল ও অন্যান্য অজৈবিক অবস্থাগুলিতে গুরুত্বপূর্ণ পরিবর্তন এনেছে।

এর ফলে একদিকে যেমন বায়ুজীবী জীবজগতের বংশবৃদ্ধি ঘটেছে, অন্যদিকে তেমনি ওজন স্তর গঠিত হয়েছে।

পৃথিবীর চৌম্বক ক্ষেত্রের সঙ্গে একযোগে এই ওজন স্তরই ক্ষতিকর সৌর বিকিরণের গতিরোধ করে গ্রহের বুকে প্রাণের বিকাশ ঘটার পথ প্রশস্ত করে দিয়েছে।

পৃথিবীর প্রাকৃতিক সম্পদ ও এর ভূতাত্ত্বিক ইতিহাস ও কক্ষপথ এই যুগে প্রাণের অস্তিত্ব রক্ষায় সহায়ক হয়েছে। মনে করা হচ্ছে, আরও ৫০ কোটি বছর পৃথিবী প্রাণধারণের সহায়ক অবস্থায় থাকবে।

মাদার তেরেসা (Mother Teresa) জান্নাতে যাবে কি ?

আর আল্লাহ তায়ালা পৃথিবী সৃষ্টির রহস্য বলতে গিয়ে বলেন:

إِنَّ رَبَّكُمُ اللّهُ الَّذِي خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالأَرْضَ فِي سِتَّةِ أَيَّامٍ ثُمَّ اسْتَوَى عَلَى الْعَرْشِ

يُغْشِي اللَّيْلَ النَّهَارَ يَطْلُبُهُ حَثِيثًا وَالشَّمْسَ وَالْقَمَرَ

وَالنُّجُومَ مُسَخَّرَاتٍ بِأَمْرِهِ أَلاَ لَهُ الْخَلْقُ وَالأَمْرُ تَبَارَكَ اللّهُ رَبُّ الْعَالَمِينَ

নিশ্চয় তোমাদের প্রতিপালক আল্লাহ। তিনি নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলকে ছয় দিনে সৃষ্টি করেছেন। অতঃপর আরশের উপর অধিষ্টিত হয়েছেন।

তিনি পরিয়ে দেন রাতের উপর দিনকে এমতাবস্থায় যে, দিন দৌড়ে রাতের পিছনে আসে। তিনি সৃষ্টি করেছেন সূর্য, চন্দ্র ও নক্ষত্র দৌড় স্বীয় আদেশের অনুগামী।

শুনে রেখ, তাঁরই কাজ সৃষ্টি করা এবং আদেশ দান করা। আল্লাহ, বরকতময় যিনি বিশ্বজগতের প্রতিপালক। সুরা আরাফ ৭:৫৪

কবর যিয়ারত করার সঠিক পদ্ধতি | মা বাবার কবর জিয়ারত

بَدِيعُ السَّمَاوَاتِ وَالأَرْضِ وَإِذَا قَضَى أَمْراً فَإِنَّمَا يَقُولُ لَهُ كُن فَيَكُونُ

তিনি নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের উদ্ভাবক। যখন তিনি কোন কার্য সম্পাদনের সিন্ধান্ত নেন,

তখন সেটিকে একথাই বলেন, `হয়ে যাও’ তৎক্ষণাৎ তা হয়ে যায়। সুরা বাকারা ২:১১৭

حَدَّثَنَا عُمَرُ بْنُ حَفْصِ بْنِ غِيَاثٍ، حَدَّثَنَا أَبِي….. فَقَالَ ‏”‏ اقْبَلُوا الْبُشْرَى يَا أَهْلَ الْيَمَنِ، إِذْ لَمْ يَقْبَلْهَا بَنُو تَمِيمٍ

‏ قَالُوا قَدْ قَبِلْنَا يَا رَسُولَ اللَّهِ، قَالُوا جِئْنَاكَ نَسْأَلُكَ عَنْ هَذَا الأَمْرِ قَالَ

كَانَ اللَّهُ وَلَمْ يَكُنْ شَىْءٌ غَيْرُهُ، وَكَانَ عَرْشُهُ عَلَى الْمَاءِ،

وَكَتَبَ فِي الذِّكْرِ كُلَّ شَىْءٍ، وَخَلَقَ السَّمَوَاتِ وَالأَرْضَ ‏”‏‏.

উমর ইবনু হাফস ইবনু গিয়াস (রহঃ) …… তিনি তাদের বললেন, হে ইয়ামানবাসী! তোমরা সুসংবাদ গ্রহণ কর। কারণ বানূ তামীমগণ তা গ্রহণ করে নাই।

তারা বলল, হে আল্লাহর রাসূল! আমরা তা গ্রহণ করলাম। তারা আরো বলল, আমরা দ্বীন সম্পর্কে কিছু জিজ্ঞাসা করার জন্য আপনার খেদমতে এসেছিলাম।

তখন তিনি বললেন, (শুরুতেই) একমাত্র আল্লাহই ছিলেন, আর তিনি ব্যতীত আর কোন কিছুই ছিল না। তাঁর আরশ ছিল পানির উপরে।

এরপর তিনি লাওহে মাহফুজে সব কিছু লিপিবদ্ধ করলেন এবং আকাশ ও পৃথিবী সৃষ্টি করলেন।

কবর পাকা করা কি গুনাহ? তাহলে রাসুলেরটা কেন?

কেউ যদি বলে নিজে নিজে একটা বিল্ডিং হয়ে গেছে তার নাই কোন মেস্তরি নাই কোন ইন্জিনিয়ার , খোদ আপনা আপনি ইট এসে গেছে , বালি সিমেন্ট সব নিজে নিজে এসে গেছে ,

নিজে নিজে পালাষ্টার হয়ে গেছে , রং নিজে নিজে হয়ে গেছে , দরজা – জানালা ,লাইট – ফ্যান , সব নিজে নিজে হয়ে গেছে । কেউ বিশ্বাস করবে ? করবে না ।

আর কেউ যদি বলে খুব জোরে একটা বিষ্পোরণ হয়েছে । এই বিষ্পোরনে বিশাল একটা বিল্ডিং হয়ে গেছে যাতে অত্যাধুনিক সব সুবিদা আছে কেউ মানবে ? মানবে না।

যে কোন জিনিস নিজে নিজে হয় না , তার বানানে ওয়ালা বা স্রষ্টা থাকে।একটা সূই ও নিজে নিজে হয় না ।

এতো বিশাল পৃথিবী , আকাশ , পাহাড় – পর্বত , নদী – নালা , বন – জংগল , বিশাল সমুদ্র , মানুষের উপযোগী করে সৃষ্ট সব নিজে নিজে হয়ে গেছে ? আসম্ভব ? অবশ্যেই তার সৃষ্টিকর্তা রয়েছে যুক্তি তাই বলে । আর আল্লাহই একমাত্র ইলাহ তাই সত্য।

মৃত ব্যক্তির জন্য বর্জনীয় ও প্রচলিত বিদআত

 

وَلَئِن سَأَلْتَهُم مَّنْ خَلَقَ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضَ لَيَقُولُنَّ اللَّهُ قُلْ

أَفَرَأَيْتُم مَّا تَدْعُونَ مِن دُونِ اللَّهِ إِنْ أَرَادَنِيَ اللَّهُ بِضُرٍّ هَلْ هُنَّ كَاشِفَاتُ ضُرِّهِ

أَوْ أَرَادَنِي بِرَحْمَةٍ هَلْ هُنَّ مُمْسِكَاتُ رَحْمَتِهِ قُلْ حَسْبِيَ اللَّهُ عَلَيْهِ يَتَوَكَّلُ الْمُتَوَكِّلُونَ

যদি আপনি তাদেরকে জিজ্ঞেস করেন, আসমান ও যমীন কে সৃষ্টি করেছে? তারা অবশ্যই বলবে-আল্লাহ । বলুন, তোমরা ভেবে দেখেছ কি,

যদি আল্লাহ আমার অনিষ্ট করার ইচ্ছা করেন, তবে তোমরা আল্লাহ ব্যতীত যাদেরকে ডাক, তারা কি সে অনিষ্ট দূর করতে পারবে?

অথবা তিনি আমার প্রতি রহমত করার ইচ্ছা করলে তারা কি সে রহমত রোধ করতে পারবে? বলুন, আমার পক্ষে আল্লাহই যথেষ্ট।

নির্ভরকারীরা তাঁরই উপর নির্ভর করে। সুরা যুমার ৩৯:৩৮

মৃত ব্যক্তির জন্য করণীয় | কবরের পাশে দাঁড়িয়ে ক্ষমা প্রার্থনা

যুক্তি বা আকল এটা ও বলে সৃষ্টিকর্তা একের অধিক হতে পারে না , হলে পরষ্পর মতভেদের সৃষ্টি হবে । আর তাতে পৃথিবীই ধংস হয়ে যাবে ।

কেউ বলবে সূর্যকে পূর্বদিক হতে উঠাবো কেউ বলবে উত্তর দিক হতে উঠাবো । এভাবে পৃথিবী ধংস হয়ে যাবে ।

لَوْ كَانَ فِيهِمَا آلِهَةٌ إِلَّا اللَّهُ لَفَسَدَتَا فَسُبْحَانَ اللَّهِ رَبِّ الْعَرْشِ عَمَّا يَصِفُونَ

যদি নভোমন্ডল ও ভুমন্ডলে আল্লাহ ব্যতীত অন্যান্য উপাস্য থাকত, তবে উভয়ের ধ্বংস হয়ে যেত।

অতএব তারা যা বলে, তা থেকে আরশের অধিপতি আল্লাহ পবিত্র। সুরা আম্বিয়া ২১:২২

যুক্তি আমাদের একথা বলে সৃষ্টিকর্তা আছে তিনি একজন । তবে কে সেই সৃষ্টিকর্তা ? তাকে নিজে স্বয়ং এসে আমাদের বলতে হবে আমিই তোমাদের সৃষ্টিকর্তা ,

বা তার পক্ষ হতে প্রতিনিধি আসতে হবে বা প্রমাণ আসতে হবে । তাই তিনি মানব জাতির প্রতি দয়া করে যুগে যুগে মানব জাতি হতে নাবী – রাসূল পাঠিয়েছেন ,

তারা মানব জাতিকে একথাই বলেছেন একমাত্র আল্লাহর ইবাদত করো তিনি ছাড়া তোমাদের অন্যেকোন সত্যে মাবুদ নাই । তারা মিথ্যায় অভ্যস্থ ছিলেননা ,

নিজের ব্যক্তি সার্থে মিথ্যা বলতেন না । আল্লহর ব্যাপারে এসে মিথ্যা বলবেন ? অসম্ভব ।

কবরস্থ করার সুন্নত পদ্ধতি | এক কবরে কতজনকে দাপন?

لَقَدْ مَنَّ اللّهُ عَلَى الْمُؤمِنِينَ إِذْ بَعَثَ فِيهِمْ رَسُولاً مِّنْ أَنفُسِهِمْ يَتْلُو عَلَيْهِمْ آيَاتِهِ

وَيُزَكِّيهِمْ وَيُعَلِّمُهُمُ الْكِتَابَ وَالْحِكْمَةَ وَإِن كَانُواْ مِن قَبْلُ لَفِي ضَلالٍ مُّبِينٍ

আল্লাহ ঈমানদারদের উপর অনুগ্রহ করেছেন যে, তাদের মাঝে তাদের নিজেদের মধ্য থেকে নবী পাঠিয়েছেন।

তিনি তাদের জন্য তাঁর আয়াতসমূহ পাঠ করেন। তাদেরকে পরিশোধন করেন এবং তাদেরকে কিতাব ও কাজের কথা শিক্ষা দেন।

বস্তুতঃ তারা ছিল পূর্ব থেকেই পথভ্রষ্ট। সুরা ইমরান ৩:১৬৪

ইতিহাস শাক্ষি যুগে যুগে যারা নাবী – রাসূলদের কথা মান্য করেছে তারা মুক্তি পেয়েছে , যারা অমান্য করেছে তারা ভয়ানক পরিনতির সম্মুখীন হয়েছে (ধ্বংস হয়েছে ) .

যেমন নুহ সম্প্রদায় , লুত সম্প্রদায় , আদ সম্প্রদায় প্রমুখ । মুহাম্মদ (সাঃ)হলেন আল্লাহর লাষ্ট এন্ড ফাইনাল রাসূল ,

 

مَّا كَانَ مُحَمَّدٌ أَبَا أَحَدٍ مِّن رِّجَالِكُمْ وَلَكِن رَّسُولَ اللَّهِ وَخَاتَمَ النَّبِيِّينَ وَكَانَ اللَّهُ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيمًا

মুহাম্মদ তোমাদের কোন ব্যক্তির পিতা নন; বরং তিনি আল্লাহর রাসূল এবং শেষ নবী। আল্লাহ সব বিষয়ে জ্ঞাত। সুরা আহযাব ৩৩:৪০

মাহফিল করার সঠিক তরীকা | পার্ট ০২

حَدَّثَنَا قُتَيْبَةُ، حَدَّثَنَا حَمَّادُ بْنُ زَيْدٍ، عَنْ أَيُّوبَ، عَنْ أَبِي قِلاَبَةَ

عَنْ أَبِي أَسْمَاءَ الرَّحَبِيِّ، عَنْ ثَوْبَانَ، قَالَ قَالَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم

لاَ تَقُومُ السَّاعَةُ حَتَّى تَلْحَقَ قَبَائِلُ مِنْ أُمَّتِي بِالْمُشْرِكِينَ

وَحَتَّى يَعْبُدُوا الأَوْثَانَ وَإِنَّهُ سَيَكُونُ فِي أُمَّتِي ثَلاَثُونَ كَذَّابُونَ

كُلُّهُمْ يَزْعُمُ أَنَّهُ نَبِيٌّ وَأَنَا خَاتَمُ النَّبِيِّينَ لاَ نَبِيَّ بَعْدِي

قَالَ أَبُو عِيسَى هَذَا حَدِيثٌ حَسَنٌ صَحِيحٌ ‏.‏

কুতায়বা (রহঃ) …… ছাওবান রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত যে, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম বলেছেনঃ

আমার উম্মতের কিছু গোত্র মুশরিকদের সাথে শামিল না হওয়া পর্যন্ত কিয়ামত সংঘটিত হবে না। এমনকি এরা মূর্তিপূজাও পর্যন্তও করবে।

অচিরেই আমার উম্মতে ত্রিশজন অতি মিথ্যাবাদী আবির্ভাব হবে। তারা প্রত্যেকেই দাবী করবে যে সে নবী,

অথচ আমিই শেষ নবী, আমার পরে কোন নবী নাই।

ওয়াজ করার সঠিক তরীকা | পার্ট ০১

তিনি ও মানুষকে একথা বলেছেন একমাত্র আল্লাহর ইবাদত করো আল্লাহ ছাড়া তোমাদের অন্যে কোন সত্যে মাবুদ নাই । ততকালীন আরবের লোকেরা মূর্তি পূজা করতো ,

তারা ছিল এক অসভ্য বর্বর জাতি , খুন-খারাবি তাদের কাছে সাধারণ ব্যাপার ছিল , তিনি যখন মানুষের কাছে বললেন তোমরা লা ইলাহা ইল্লাললাহ বল ,

ভাল কাজ করো অন্যায় হতে বিরত থাক, কন্যা শিশুকে জীবিত হত্যা করো না। তখন আরবের বর্বর জাতি তার উপর খেপে গেল , তারা তাকে মারতে উদ্যত হলো ।

তাদের একথা অজানা ছিলনা যে , তার মত ভাল লোক আর হয়না । তার উপাধি ছিল আল আমীন বা বিশ্বাসী । আরবের কাফেররা বলল আপনি কেন আমাদের মাবুদ গুলোর বিরুদ্বে বলছেন

যাদের আমাদের বাপ – দাদা চৌদ্দগোষঠী ইবাদত করতো , আপনার প্রতি আমাদের আস্হা বিশ্বাস রয়েছে আপনি মিথ্যা বলার মত লোক নন ,

ওয়াজ ও নসিহত মাইকে কল্যাণকর না অকল্যাণকর?

পূর্বে আপনার কাছে কখনো মিথ্যা কথা শুনিনি । আপনি কি চান বলুন আপনি যদি চান আরবের রাজা হতেন আমরা আপনাকে আরবের রাজা বানিয়ে দিবো আপনার উপর আমাদের বিশ্বাস রয়েছে ,

আর যদি চান আরবের সবচাইতে ধনী হতে আমরা সবাই মাল উঠিয়ে আপনাকে ধনী বানিয়ে দিব , আর যদি চান আরবের সুন্দরী নারীদের বিবাহ করতে আমরা আপনার প্রস্তাবে রাজি ।

এর জবাবে রাসূলুল্লাহ(সাঃ)বলেছেন তোমরা যদি আমার এক হাতে সূর্য অন্যে হাতে চন্দ্র দাও তবু ও আমি চাই তোমরা একথা বলবে

লা ইলাহা ইল্লাললাহ ( আল্লাহ ছাড়া অন্যে কোন সত্যে মাবুদ নাই ) তিনি যদি মিথ্যাবাদী হতেন সেদিন রাজা হওয়ার প্রস্তাব গ্রহন করে নিতেন ।

বলতেন বিশাল আরবের রাজা হয়ে যাব আর কিসের দরকার অথচ তিনি ছিলেন আল্লাহর নাবী সকল লোভ লালসার উর্ধ্বে ।

أَلَمْ تَعْلَمْ أَنَّ اللّهَ لَهُ مُلْكُ السَّمَاوَاتِ وَالأَرْضِ وَمَا لَكُم مِّن دُونِ اللّهِ مِن وَلِيٍّ وَلاَ نَصِيرٍ

তুমি কি জান না যে, আল্লাহর জন্যই নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের আধিপত্য? আল্লাহ ব্যতীত তোমাদের কোন বন্ধু ও সাহায্যকারী নেই। সুরা বাকারা ২:১০৭

মিলাদ কিয়াম কি বিদআত ? দলিল প্রমাণ সহ তার ইতিহাস

অধিকাংশ মানুষ বিশ্ব স্রষ্টা এক আল্লাহর এবাদত পরিহার করে নানা দেব-দেবী, মূর্তি-বিগ্রহ, কল্পিত ব্যক্তি ও বস্তু নানারকম প্রাণী, এবং জড় পদার্থের উপাসনা,

আরাধনা করে চলেছে। মানব পিতা হযরত আদম (আ.) হতে শুরু করে সর্বশেষ নবী হযরত মোহাম্মাদ মোস্তাফা (সা.) পর্যন্ত এক লাখ চব্বিশ হাজার মতান্তরে

দুই লাখ চব্বিশ হাজার নবী-রাসূল পৃথিবীবাসীর হেদায়েতের জন্য আল্লাহপাক প্রেরণ করেছেন এবং তাদের কাছে একশত সহীফা বা ছোট কিতাব

এবং চার খানা বড় কিতাব নাযিল করেছেন। এই একশত চারটি কিতাবের মধ্যে ‘আল কোরআন’ সর্বশেষ কিতাব।
এই কিতাবে জীবন ও জগতের পরিপূর্ণ বিধানাবলি বিধৃত আছে।

পৃথিবী প্রলয় হওয়া পর্যন্ত জীবনও জগতের যাবতীয় প্রয়োজন পূরণ ও সকল সমস্যা সমাধানের ব্যবস্থাপত্র হচ্ছে এই কোরআন। আল কোরআনে আল্লাহ রাব্বুল আলামীন

সুস্পষ্টভাবে ঘোষণা করেছেন যে, সৃষ্টি জগতের কোনো কিছুরই ‘ইলাহ’ বা ‘উপাস্য’ হওয়ার অধিকার নেই।

মৃত্যুর পর চল্লিশা, মৃত্যুবার্ষিকী পালন করা কি জায়েজ ?

 

ইরশাদ হয়েছে :

وَهُوَ الَّذِي أَحْيَاكُمْ ثُمَّ يُمِيتُكُمْ ثُمَّ يُحْيِيكُمْ إِنَّ الْإِنسَانَ لَكَفُورٌ

তিনিই তোমাদেরকে জীবিত করেছেন, অতঃপর তিনিই তোমাদেরকে মৃত্যুদান করবেন ও পুনরায় জীবিত করবেন।

নিশ্চয় মানুষ বড় অকৃতজ্ঞ। সুরা হাজ্জ্ব ২২:৬৬

ইরশাদ হয়েছে :

إِنَّ اللّهَ فَالِقُ الْحَبِّ وَالنَّوَى يُخْرِجُ الْحَيَّ مِنَ الْمَيِّتِ وَمُخْرِجُ الْمَيِّتِ مِنَ الْحَيِّ ذَلِكُمُ اللّهُ فَأَنَّى تُؤْفَكُونَ

নিশ্চয় আল্লাহই বীজ ও আঁটি থেকে অঙ্কুর সৃষ্টিকারী; তিনি জীবিতকে মৃত থেকে বের করেন ও মৃতকে জীবিত থেকে বের করেন।

তিনি আল্লাহ অতঃপর তোমরা কোথায় বিভ্রান্ত হচ্ছ? সুরা আন’য়াম ৬:৯৫

ইরশাদ হয়েছে :

أَلَمْ أَعْهَدْ إِلَيْكُمْ يَا بَنِي آدَمَ أَن لَّا تَعْبُدُوا الشَّيْطَانَ إِنَّهُ لَكُمْ عَدُوٌّ مُّبِينٌ

হে বনী-আদম! আমি কি তোমাদেরকে বলে রাখিনি যে, শয়তানের এবাদত করো না, সে তোমাদের প্রকাশ্য শত্রু? সুরা ইয়া-সীন ৩৬:৬০

তাবিজ ব্যবহার করা শরিয়াতের দৃষ্টিতে কেমন ? এবং আল্লাহই একমাত্র ইলাহ কি?

وَأَنْ اعْبُدُونِي هَذَا صِرَاطٌ مُّسْتَقِيمٌ

এবং আমার এবাদত কর। এটাই সরল পথ। সুরা ইয়া-সীন ৩৬:৬১

وَمَا أَرْسَلْنَا مِن قَبْلِكَ مِن رَّسُولٍ إِلَّا نُوحِي إِلَيْهِ أَنَّهُ لَا إِلَهَ إِلَّا أَنَا فَاعْبُدُونِ

আপনার পূর্বে আমি যে রাসূলই প্রেরণ করেছি, তাকে এ আদেশই প্রেরণ করেছি যে, আমি ব্যতীত অন্য কোন উপাস্য নেই।

সুতরাং আমারই এবাদত কর। সুরা আম্বিয়া ২১:২৫

إِنَّا أَنزَلْنَا التَّوْرَاةَ فِيهَا هُدًى وَنُورٌ يَحْكُمُ بِهَا النَّبِيُّونَ الَّذِينَ أَسْلَمُواْ لِلَّذِينَ هَادُواْ

وَالرَّبَّانِيُّونَ وَالأَحْبَارُ بِمَا اسْتُحْفِظُواْ مِن كِتَابِ اللّهِ وَكَانُواْ عَلَيْهِ شُهَدَاء

فَلاَ تَخْشَوُاْ النَّاسَ وَاخْشَوْنِ وَلاَ تَشْتَرُواْ بِآيَاتِي ثَمَنًا قَلِيلاً

وَمَن لَّمْ يَحْكُم بِمَا أَنزَلَ اللّهُ فَأُوْلَـئِكَ هُمُ الْكَافِرُونَ

আমি তওরাত অবর্তীর্ন করেছি। এতে হেদায়াত ও আলো রয়েছে। আল্লাহর আজ্ঞাবহ পয়গম্বর, দরবেশ ও আলেমরা এর মাধ্যমে ইহুদীদেরকে ফয়সালা দিতেন।

কেননা, তাদেরকে এ খোদায়ী গ্রন্থের দেখাশোনা করার নির্দেশ দেয়া হয়েছিল এবং তাঁরা এর রক্ষণাবেক্ষণে নিযুক্ত ছিলেন।

অতএব, তোমরা মানুষকে ভয় করো না এবং আমাকে ভয় কর এবং আমার আয়াত সমূহের বিনিময়ে স্বল্পমূল্যে গ্রহণ করো না,

যেসব লোক আল্লাহ যা অবতীর্ণ করেছেন, তদনুযায়ী ফায়সালা করে না, তারাই কাফের।  সুরা মায়েদা ৫:৪৪

আল্লাহই একমাত্র ইলাহ তাকে সেজদা না করে পীর বা মাজারে সিজদা করা সম্পর্কে ইসলাম কি বলে ?

وَمَا خَلَقْتُ الْجِنَّ وَالْإِنسَ إِلَّا لِيَعْبُدُونِ

আমার এবাদত করার জন্যই আমি মানব ও জিন জাতি সৃষ্টি করেছি। সুরা যারিয়া’ত ৫১:৫৬

مَا أُرِيدُ مِنْهُم مِّن رِّزْقٍ وَمَا أُرِيدُ أَن يُطْعِمُونِ

আমি তাদের কাছে জীবিকা চাই না এবং এটাও চাই না যে, তারা আমাকে আহার্য যোগাবে। সুরা যারিয়া’ত ৫১:৫৭

সুতরাং উল্লেখিত আয়াতে কারীমার অর্থ ও মর্মের আলোকে স্পষ্টতঃই বলা যায় যে, একমাত্র আল্লাহ তায়ালার ইবাদত বন্দেগী ও আরাধনা ছাড়া আর অন্য কারো উপাসনা করা বৈধ নয়।

কেননা আল্লাহপাক স্বীয় নাম, পরিচয় ও সত্তাগত এবং কর্মগত গুণাবলীতে সর্বদা ছিলেন এবং সর্বদা থাকবেন।আল্লাহ তায়ালার একমাত্র উপাস্য হওয়ার বিষয়টি সপ্রমাণিত ও চিরসত্য।

এই সত্যের মাঝে কোনো ব্যত্যয় হতে পারে না। এর প্রমাণ বিভিন্নভাবে দাঁড় করানো যায়। আসুন, এবার সেদিকে নজর দেয়া যাক। প্রথমত: আল্লাহপাক এক, একক, অদ্বিতীয়।

সমগ্র বিশ্বে তাঁর কোনো তুলনা নেই, তাঁর কোনো সমকক্ষ ও নেই। সুতরাং একক উপাস্য বা ইলাহ হওয়ার অধিকার একমাত্র তাঁরই আছে। অন্য কারো নেই।

আল্লাহই একমাত্র ইলাহ তিনি ব্যতিত তারা কখনও একটি মাছি সৃষ্টি করতে পারবে না

 

يَا أَيُّهَا النَّاسُ ضُرِبَ مَثَلٌ فَاسْتَمِعُوا لَهُ إِنَّ الَّذِينَ تَدْعُونَ مِن دُونِ اللَّهِ

لَن يَخْلُقُوا ذُبَابًا وَلَوِ اجْتَمَعُوا لَهُ

وَإِن يَسْلُبْهُمُ الذُّبَابُ شَيْئًا لَّا يَسْتَنقِذُوهُ مِنْهُ ضَعُفَ الطَّالِبُ وَالْمَطْلُوبُ

হে লোক সকল! একটি উপমা বর্ণনা করা হলো, অতএব তোমরা তা মনোযোগ দিয়ে শোন; তোমরা আল্লাহর পরিবর্তে যাদের পূজা কর,

তারা কখনও একটি মাছি সৃষ্টি করতে পারবে না, যদিও তারা সকলে একত্রিত হয়। আর মাছি যদি তাদের কাছ থেকে কোন কিছু ছিনিয়ে নেয়,

তবে তারা তার কাছ থেকে তা উদ্ধার করতে পারবে না, প্রার্থনাকারী ও যার কাছে প্রার্থনা করা হয়, উভয়েই শক্তিহীন। সুরা হাজ্জ্ব ২২:৭৩

 

দ্বিতীয়ত: এবাদত পাওয়ার যোগ্যতা তারই থাকতে পারে, যার লয় নেই, ক্ষয় নেই, যিনি চিরঞ্জীব ও অবিনশ্বর। এসকল গুণ আল্লাহ তায়ালা ছাড়া অন্য কারো নেই।

এজন্য উপাস্য, হওয়ার অধিকারেও তিনি একক। অর্থাৎ তাঁকে ছাড়া আর কোনো কিছুই এবাদতের যোগ্য নয়।

اللّهُ لاَ إِلَـهَ إِلاَّ هُوَ الْحَيُّ الْقَيُّومُ لاَ تَأْخُذُهُ سِنَةٌ وَلاَ نَوْمٌ لَّهُ مَا فِي السَّمَاوَاتِ

وَمَا فِي الأَرْضِ مَن ذَا الَّذِي يَشْفَعُ عِنْدَهُ إِلاَّ بِإِذْنِهِ يَعْلَمُ مَا بَيْنَ أَيْدِيهِمْ

وَمَا خَلْفَهُمْ وَلاَ يُحِيطُونَ بِشَيْءٍ مِّنْ عِلْمِهِ إِلاَّ بِمَا شَاء

وَسِعَ كُرْسِيُّهُ السَّمَاوَاتِ وَالأَرْضَ وَلاَ يَؤُودُهُ حِفْظُهُمَا وَهُوَ الْعَلِيُّ الْعَظِيمُ

আল্লাহই একমাত্র ইলাহ তিনিই সর্বোচ্চ এবং সর্বাপেক্ষা মহান

আল্লাহ ছাড়া অন্য কোন উপাস্য নেই, তিনি জীবিত, সবকিছুর ধারক। তাঁকে তন্দ্রাও স্পর্শ করতে পারে না এবং নিদ্রাও নয়।

আসমান ও যমীনে যা কিছু রয়েছে, সবই তাঁর। কে আছ এমন, যে সুপারিশ করবে তাঁর কাছে তাঁর অনুমতি ছাড়া?

দৃষ্টির সামনে কিংবা পিছনে যা কিছু রয়েছে সে সবই তিনি জানেন। তাঁর জ্ঞানসীমা থেকে তারা কোন কিছুকেই পরিবেষ্টিত করতে পারে না,

কিন্তু যতটুকু তিনি ইচ্ছা করেন। তাঁর সিংহাসন সমস্ত আসমান ও যমীনকে পরিবেষ্টিত করে আছে। আর সেগুলোকে ধারণ করা তাঁর পক্ষে কঠিন নয়।

তিনিই সর্বোচ্চ এবং সর্বাপেক্ষা মহান। সুরা বাকারা ২:২৫৫

তৃতীয়ত: সত্তার দিক দিয়েও তিনি একক। অর্থাৎ তিনি অংশী বিশিষ্ট নন। শুধু কেবল অংশীর দিক থেকেই নয় বরং তিনি অঙ্গ প্রত্যক্ষ থেকেও পবিত্র ও মুক্ত।

তাঁর কোনো বিভক্তি বা ব্যবচ্ছেদ হতে পারে না। আর পারে না বলেই তিনিই একমাত্র উপাস্য হওয়ার যোগ্য।

وَإِلَـهُكُمْ إِلَهٌ وَاحِدٌ لاَّ إِلَهَ إِلاَّ هُوَ الرَّحْمَنُ الرَّحِيمُ

আর তোমাদের উপাস্য একইমাত্র উপাস্য। তিনি ছাড়া মহা করুণাময় দয়ালু কেউ নেই।  সুরা বাকারা ২:১৬৩

আল্লাহই একমাত্র ইলাহ তিনি জীবন দান করেন ও মৃত্যু ঘটান। তিনি সবকিছু করতে সক্ষম

চতুর্থত: আল্লাহতায়ালা-তখনও বিদ্যমান ছিলেন, যখন অন্য কোনো কিছুই ছিল না এবং তখনও বিদ্যমান থাকবেন, যখন কোনো কিছুই থাকবে না। এজন্যই তিনি তাঁর আদি ও অনন্ত সত্তার দিক দিয়েও একক ও অদ্বিতীয়।

 

سَبَّحَ لِلَّهِ مَا فِي السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ وَهُوَ الْعَزِيزُ الْحَكِيمُ

নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলে যা কিছু আছে, সবাই আল্লাহর পবিত্রতা ঘোষণা করে।

তিনি শক্তিধর; প্রজ্ঞাময়।  সুরা হাদীদ ৫৭:১

لَهُ مُلْكُ السَّمَاوَاتِ وَالْأَرْضِ يُحْيِي وَيُمِيتُ وَهُوَ عَلَى كُلِّ شَيْءٍ قَدِيرٌ

নভোমন্ডল ও ভূমন্ডলের রাজত্ব তাঁরই। তিনি জীবন দান করেন ও মৃত্যু ঘটান। তিনি সবকিছু করতে সক্ষম। সুরা হাদীদ ৫৭:২

هُوَ الْأَوَّلُ وَالْآخِرُ وَالظَّاهِرُ وَالْبَاطِنُ وَهُوَ بِكُلِّ شَيْءٍ عَلِيمٌ

তিনিই প্রথম, তিনিই সর্বশেষ, তিনিই প্রকাশমান ও অপ্রকাশমান

এবং তিনি সব বিষয়ে সম্যক পরিজ্ঞাত। সুরা হাদীদ ৫৭:৩

অতএব তিনিই একমাত্র সত্তা যিনি উপাস্য হতে পারেন। তিনি ছাড়া অন্য কোনো কিছুর উপাস্য হওয়ার ধারণা সম্পূর্ণরূপে মিথ্যা ও বাতিল।

এই বিশ্বের যে বা যারাই এহেন বাতিল পথ ও মিথ্যার বেড়াজালে আবদ্ধ হবে, তারা কোনো ক্রমেই আল্লাহর আযাব ও গযব হতে নিস্তার লাভ করতে পারবে না।

 

حَدَّثَنَا عَبْدُ اللَّهِ بْنُ عَبْدِ الرَّحْمَنِ، أَخْبَرَنَا عَمْرُو بْنُ عَوْنٍ، أَخْبَرَنَا خَالِدُ بْنُ عَبْدِ اللَّهِ،

عَنْ سُهَيْلٍ، عَنْ أَبِيهِ، عَنْ أَبِي هُرَيْرَةَ، رضى الله عنه

قَالَ كَانَ رَسُولُ اللَّهِ صلى الله عليه وسلم يَأْمُرُنَا إِذَا أَخَذَ أَحَدُنَا مَضْجَعَهُ أَنْ يَقُولَ

اللَّهُمَّ رَبَّ السَّمَوَاتِ وَرَبَّ الأَرَضِينَ وَرَبَّنَا وَرَبَّ كُلِّ شَيْءٍ

وَفَالِقَ الْحَبِّ وَالنَّوَى وَمُنْزِلَ التَّوْرَاةِ وَالإِنْجِيلِ

وَالْقُرْآنِ أَعُوذُ بِكَ مِنْ شَرِّ كُلِّ ذِي شَرٍّ أَنْتَ آخِذٌ بِنَاصِيَتِهِ أَنْتَ الأَوَّلُ

فَلَيْسَ قَبْلَكَ شَيْءٌ وَأَنْتَ الآخِرُ فَلَيْسَ بَعْدَكَ شَيْءٌ

وَالظَّاهِرُ فَلَيْسَ فَوْقَكَ شَيْءٌ وَالْبَاطِنُ فَلَيْسَ دُونَكَ شَيْءٌ اقْضِ عَنِّي الدَّيْنَ

وَأَغْنِنِي مِنَ الْفَقْرِ ‏.‏

তুমি আমার ঋণ পরিশোধের ব্যবস্থা করে দাও এবং দরিদ্রতা হতে আমাকে সাবলম্বী করে দাও

আবূ হুরাইরাহ (রাযিঃ) হতে বর্ণিত আছে, তিনি বলেন, আমাদেরকে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম এই মর্মে হুকুম করতেন যে,

আমাদের কেউ ঘুমানোর জন্য যখন বিছানাগত হয় সে সময় সে যেন বলেঃ “হে আল্লাহ! আকাশমণ্ডলীর প্রভু, মাটিসমূহের প্রভু,

আমাদের প্রভু, প্রতিটি বস্তুর প্রভু, শস্যবীজ ও আঁটির অংকুরোদগমনকারী এবং তাওরাত, ইনজীল ও কুরআন অবতীর্ণকারী!

আমি প্রত্যেক অনিষ্টকারীর ক্ষতি হতে তোমার কাছে আশ্রয় প্রার্থনা করি। এগুলো তোমারই আয়ত্তাধীন, তুমিই শুরু, তোমার আগে কিছুই নেই।

আর তুমিই শেষ, তোমার পরে কিছুই নেই। তুমিই প্রকাশিত, তোমার উপরে কিছুই নেই। তুমিই লুকায়িত, তোমার হতে কিছুই গোপন নয়।

সুতরাং তুমি আমার ঋণ পরিশোধের ব্যবস্থা করে দাও এবং দরিদ্রতা হতে আমাকে সাবলম্বী করে দাও”।

মাও. ইবরাহিম মোস্তফা
মাও. ইবরাহিম মোস্তফা

 

Facebook Comments

2 Trackbacks / Pingbacks

  1. জিলহজের প্রথম ১০ দিন যাতে রয়েছে ৫টি বিশেষ আমল | Bangla Islam
  2. ইসলামের দৃষ্টিতে মিথ্যা কথা বলা কি ও মিথ্যা বলার পরিণতি | Bangla Islam

Comments are closed.