অযুর সময় কথাবার্তা বললে নামাজ নষ্ট হয়ে যাবে ? । Bangla Islam

অযুর সময় কথাবার্তা বললে নামাজ নষ্ট হয়ে যাবে
অযুর সময় কথাবার্তা বললে নামাজ নষ্ট হয়ে যাবে

অযুর সময় কথাবার্তা বললে নামাজ নষ্ট হয়ে যাবে?

নামাজ ইত্যাদি এবাদতের জন্যে অযু জরুরি। আর সেই অযুর সময় কথাবার্তা বলা যাকে ফুকাহায়ে কেরাম মাকরুহ বলে থাকেন। অনুরূপভাবে আমরা এটা জানি

অযুতে যে সমস্ত সুন্নতে মুয়াক্কাদা রয়েছে, যেমন মেসওয়াক করা ইত্যাদি ছেড়ে দিলে অযু নাকেছ হয়ে যায়।

এখন প্রশ্ন হল এই নাকেছ বা কমতীটি কি অযুর মধ্যেই সীমাবদ্ধ নাকি নামাযেও তার প্রভাব পড়বে?

কেউ কেউ বলে থাকেন এ সমস্ত কর্ম করার কারণে তার নামাজ মাকরুহ হয়ে যাবে।

আজ আমরা অযুর সময় কথাবার্তা বললে নামাজ নষ্ট হয়ে যাবে কি না মাসআলাটি নিয়ে দলিল ভিত্তিক আলোচনা করার চেষ্টা করব। ইনশা-আল্লাহ।

অযু অর্থাৎ পবিত্রতা অর্জন নামাজ ও অন্যান্য ইবাদতের জন্য জরুরী। কিন্তু অযু ও নামাজ, ইবাদত ও ছোয়াবের দিক দিয়ে ভিন্ন ভিন্ন।

তাই অযুর কোন সুন্নত তরক করলে বা ছেড়ে দিলে নামাজ মাকরুহ হবে না বরং এবাদত এর মাঝে মাকরুহ কাজ অন্তর্ভুক্ত হওয়ার কারণে ছোয়াব কম হবে।

সঠিকটা আল্লাহ তাআলাই ভালো জানেন।

অযুর সময় কথাবার্তা বললে নামাজ নষ্ট হয়ে যাবে কি না তার দলিল সমূহ।

قَوْلُهُ: وَيُلَامُ) أَيْ يُعَاتَبُ بِالتَّاءِ لَا يُعَاقَبُ، كَمَا أَفَادَهُ فِي الْبَحْرِ وَالنَّهْرِ

لَكِنْ فِي التَّلْوِيحِ تَرْكُ السُّنَّةِ الْمُؤَكَّدَةِ قَرِيبٌ مِنْ الْحَرَامِ يَسْتَحِقُّ حِرْمَانَ الشَّفَاعَةِ

لِقَوْلِهِ – عَلَيْهِ الصَّلَاةُ وَالسَّلَامُ -: «مَنْ تَرَكَ سُنَنِي لَمْ يَنَلْ شَفَاعَتِي اهـ

وَفِي التَّحْرِيرِ: إنَّ تَارِكَهَا يَسْتَوْجِبُ التَّضْلِيلَ وَاللَّوْمَ،. اهـ

وَالْمُرَادُ التَّرْكُ بِلَا عُذْرٍ عَلَى سَبِيلِ الْإِصْرَارِ كَمَا فِي شَرْحِ التَّحْرِيرِ لِابْنِ أَمِيرِ حَاجٍّ

وَيُؤَيِّدُهُ مَا سَيَأْتِي فِي سُنَنِ الْوُضُوءِ مِنْ أَنَّهُ لَوْ اكْتَفَى بِالْغَسْلِ مَرَّةً إنْ اعْتَادَهُ أَثِمَ، وَإِلَّا لَا

………………..
وَفِي الْبَحْرِ مِنْ بَابِ صِفَةِ الصَّلَاةِ: الَّذِي يَظْهَرُ مِنْ كَلَامِ أَهْلِ الْمَذْهَبِ أَنَّ الِاسْمَ مَنُوطٌ بِتَرْكِ الْوَاجِبِ

أَوْ السُّنَّةِ الْمُؤَكَّدَةِ عَلَى الصَّحِيحِ؛ لِتَصْرِيحِهِمْ بِأَنَّ مَنْ تَرَكَ سُنَنَ الصَّلَوَاتِ الْخَمْسِ

قِيلَ: لَا يَأْثَمُ وَالصَّحِيحُ أَنَّهُ يَأْثَمُ، ذَكَرَهُ فِي فَتْحِ الْقَدِيرِ

وَتَصْرِيحُهُمْ بِالْإِثْمِ لِمَنْ تَرَكَ الْجَمَاعَةَ مَعَ أَنَّهَا سُنَّةٌ مُؤَكَّدَةٌ عَلَى الصَّحِيحِ

وَكَذَا فِي نَظَائِرِهِ لِمَنْ تَتَبَّعَ كَلَامَهُمْ، وَلَا شَكَّ أَنَّ الْإِثْمَ مَقُولٌ بِالتَّشْكِيكِ بَعْضُهُ أَشَدُّ مِنْ بَعْضٍ

فَالْإِثْمُ لِتَارِكِ السُّنَّةِ الْمُؤَكَّدَةِ أَخَفُّ مِنْ الْإِثْمِ لِتَارِكِ الْوَاجِبِ. اهـ

قَالَ فِي النَّهْرِ هُنَاكَ: وَيُؤَيِّدُهُ مَا فِي الْكَشْفِ الْكَبِيرِ مَعْزِيًّا إلَى أُصُولِ أَبِي الْيُسْرِ

حُكْمُ السُّنَّةِ أَنْ يُنْدَبَ إلَى تَحْصِيلِهَا، وَيُلَامَ عَلَى تَرْكِهَا مَعَ لُحُوقِ إثْمٍ يَسِيرٍ.
——–
ص104 – كتاب الدر المختار وحاشية ابن عابدين رد المحتار – سنن الوضوء

 

Facebook Comments

1 Trackback / Pingback

  1. একজনের গোসলে কি পরিমান পানি প্রয়োজন। - বাংলা ইসলাম

Comments are closed.